সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি: মঙ্গল ও বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও চলল বিবিসি-র দফতরে চলল আয়কর হানা। যদিও এটাকে হানা (Raid) না বলে সমীক্ষা (Survey) বলতে চাইছে আয়কর দফতর। যদিও এই সার্ভে বা সমীক্ষা থেকে কিছু পাওয়া গিয়েছে কিনা সেটা জানায়নি আয়কর দফতর। জানা যাচ্ছে, বিবিসি-র দফতরে শীর্ষ আধিকারিক থেকে সাধারণ কর্মীদের মোবাইল ও ল্যাপটপ পর্যন্ত খুঁটিয়ে দেখছেন আয়কর আধিকারিকরা। এও জানা গিয়েছে, বিবিসি-র অন্তত ১০ জন শীর্ষকর্তা দফতরেই আটকে রয়েছেন।

মঙ্গলবার বেলার দিকে আচমকাই মুম্বই ও দিল্লিতে অবস্থিত বিবিসি-র দফতরে হানা দেয় আয়কর আধিকারিকদের দুটি দল। রাতভর সমীক্ষা চালানোর পর বুধবারও ওই দফতরে ছিলেন আয়কর আধিকারিকরা। তৃতীয়দিনেও দেখা গেল বিবিসি-র দফতরে রয়েছেন আয়কর আধিকারিকরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-র দুটি দফতরে আয়কর অভিযান নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সরব হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূূমিকা নিয়ে। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নিয়েই কেন্দ্রের কোপে পড়ে বিবিসি।

বুধবার গভীর রাতে বিবিসি একটি টুইট করে জানায়, এখনও আয়কর আধিকারিকরা তাঁদের দফতরে রয়েছেন। অনেক কর্মী বাড়ি ফিরে গেলেও কয়েকজন রয়ে গিয়েছেন অফিসে। এই পরিস্থিতিতে আমরা আমাদের কর্মীদের যথাসম্ভব সাহায্য করছি। এই পরিস্থিতিতেও আমরা সাংবাদিকতা জারি রাখছি, দর্শকদের জন্য সংবাদ পরিবেশনও জারি রাখবো। এর আগেও আরেকটি টুইট করে বিবিসি জানায় তাঁরা আয়কর দফতরকে যথাসম্ভব সাহায্য করছি।


More Stories
নারদা কাণ্ডে “৫ লাখ টাকা ঘুষ “-এর উল্লেখ সুখেন্দু শেখরের সাংসদকে আক্রমণে
আইনি নোটিস ছিঁড়ে ফেলার ভিডিও ভাইরাল
২৮ বছর পরে কংগ্রেসে কি ফিরবেন মমতা?