সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি: ভারতের পড়শি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ক্রমশই খারাপের দিকে এগোচ্ছে। দেশের কোষাগাড় ইতিমধ্যেই শূন্য। কোনও দেশ বা সংস্থাই আর ঋণ দিতে চাইছে না পাকিস্তানকে। এই পরিস্থিতিতে এক অভিনব পন্থা নিল শাহবাজ শরিফের মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ-সহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা বেতন নেওয়া বন্ধ করলেন। পাক প্রধানমন্ত্রীর দাবি, খরচ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত। ইমরান খানকে সরিয়ে কয়েকমাস আগেই পাকিস্তানে যৌথভাবে সরকার গঠন করেছিল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (PML-N) এবং বিলাবল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (PPP)। কিন্তু তার পর থেকেই পাকিস্তানে শুরু হয় চরম আর্থিক সংকট।

মূল্যবৃদ্ধি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে কার্যত দেউলিয়া হতে বসেছে পাকিস্তান। ফলে এই জোট সরকার দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়ে। এখন প্রধানমন্ত্রী-সহ গোটা মন্ত্রিসভা বেতন না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যত সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হয়েছে। উল্লেখ্য এর আগে পাকিস্তানের বর্তমান বিরোধী দল ইমরান খানের তেহরিক-ই ইনসাফ (PTI) দাবি তুলেছিল আর্থিক সংকটে মোকাবিলায় কেন পাক মন্ত্রীদের বেতনে কোপ পড়ছে না? এবার সেই রাস্তাতেই হাঁটল জোট সরকার। এই মুহূর্তে পাকিস্তান জোট সরকারে PML-N পার্টির প্রধানমন্ত্রী-সহ ১২ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ৩ জন রাষ্ট্রমন্ত্রী রয়েছেন। এরা কেউই বেতন নেবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে জোটের অন্য দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি এখনও।

অপরদিকে, পাকিস্তানের আর্থিক সংকট কাটাতে ইতিমধ্যেই জোট সরকার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের (IMF) কাছে ঋণের আবেদন করেছে। ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে IMF বেশ কয়েকটি কঠিন শর্ত আরোপ করেছে। সেই শর্ত না পালন করায় পাকিস্তান এখনও ঋণ পায়নি। ফলে বন্ধু দেশ চিন ও সৌদি আরবের মুখাপেক্ষী হয়েছে ইসলামাবাদ। যদিও তাঁরা এখনও সেভাবে কোনও আশ্বাস দেয়নি বলেই খবর। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের আর্থিক অবস্থা আরও তলানিতে এসে ঠেকেছে।


More Stories
শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জয়প্রকাশ
অভিষেকের দুয়ারে ইডি
ঋতব্রতদের সম্পর্কে কুণাল ঘোষের বক্তব্য কেন তাৎপর্যপূর্ণ?