Home » ‘কী পেলে নন্দলালেরা খুশি হবে’, ডিএ নিয়ে পাল্টা তোপ মমতার

‘কী পেলে নন্দলালেরা খুশি হবে’, ডিএ নিয়ে পাল্টা তোপ মমতার

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৬ মার্চ: মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ নিয়ে শহীদ মিনারের নীচে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছে রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ। এবার তাঁদের আন্দোলন নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিধানসভায় ডিএ ইস্যু নিয়ে তাঁর প্রশ্ন, ডিএ দিতে গিয়ে রাজ্যের ১ লক্ষ ৬৪ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে, আর কী পেলে নন্দলালরা খুশি হবেন?’ এমনিতেই ডিএ ইস্যু নিয়ে কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

সোমবারই বিধানসভা থেকে সোজা শহীদ মিনারের নীচে রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের ধরণামঞ্চে উপস্থিত হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি বিধায়করা। এছাড়াও গিয়েছিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। এর আগে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিল কংগ্রেস ও বাম নেতৃত্ব। ফলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ডিএ ইস্যু বড় আকার নিতে চলেছে সে কথা বলাই বাহুল্য। এরমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

সোমবার রাজ্য বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী টেনে আনেন কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ছুটির ফারাক প্রসঙ্গ। এদিন তিনি বলেন, বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিল, ছুটি দিয়েছি, আর কী পেলে খুশি হবেন নন্দলালেরা? যদিও তারপরেই তিনি বলেন, ডিএ দিতে আপত্তি নেই, টাকা থাকলে তো দেব। খালি চাই চাই, আমার মুণ্ড কেটে নিন। পরে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ‘‘৯৯ শতাংশ ও ৬ শতাংশ মিলিয়ে রাজ্যে ১০৫ শতাংশ ডিএ দেওয়া হয়েছে’’

যদিও সোমবার বিধানসভায় এদিন প্রথম ডিএ নিয়ে কথা বলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ডিএ নিয়ে অনেক কথা বলা হয়, কটাক্ষ করা হয়। কিন্তু পঞ্চম পে কমিশনে যা বকেয়া ছিল তা দিয়ে দিয়েছি। চন্দ্রিমার আরও দাবি, কোনও রাজ্য পেনশন দেয় না। আমাদের রাজ্যে দেওয়া হয়। সেটা কি বন্ধ করে দেওয়া হবে? বিরোধীরা কি এটাই চাইছেন? চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের দাবি, পেনশন বন্ধ হলে রাজ্যের ভাড়ারে ২০ হাজার কোটি টাকা বাঁচত। অপরদিকে, মুখ্যমন্ত্রী এদিন পাল্টা দাবি করেন, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশে ডিএ দেওয়া হয় না বলে।

About Post Author