Home » তাইওয়ান ঘিরে চিনা যুদ্ধ জাহাজের টহলদারি, যুদ্ধ কি আসন্ন?

তাইওয়ান ঘিরে চিনা যুদ্ধ জাহাজের টহলদারি, যুদ্ধ কি আসন্ন?

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৯ এপ্রিল: ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র তাইওয়ান ঘিরে শনিবার থেকে শুরু হয়েছে চিনের সামরিক মহড়া। দ্বীপ রাষ্ট্রটিকে ঘিরে রেখে যুদ্ধ জাহাজ দিয়ে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে চিন। তবে কি চিন যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে? এ প্রশ্নই এখন ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে। সম্প্রতি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইঙ্গ ওয়েন আমেরিকা সফরে গিয়ে মার্কিন হাউস স্পিকার কোভিন ম্যাকারথির সঙ্গে দেখা করে দেশে ফিরেছেন। আর এই বিষয়টা কি ভালো চোখে দেখেনি চিন।  শনিবার সকাল থেকেই তাইওয়ান ঘিরে একাধিক যুদ্ধজাহাজ নিয়ে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে চিন। রবিবারেও আরও যুদ্ধ জাহাজ এসে সেই মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।

আরও পড়ুন    বিজেপিতে যোগদানের প্রায়শ্চিত্ত, দণ্ডি কেটে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন!


প্রসঙ্গত, চলতি বছরের আগস্ট মাসে মার্কিন হাউস স্পিকার ন্যান্সি প্যালোসি তাইওয়ান সফরে এসেছিলেন। সেই সময় ও চিন তাইওয়ান ঘিরে সামরিক মহড়া চালিয়েছিল। ১৯৪৯ সালে গৃহযুদ্ধ শেষে চিন ও তাইওয়ান আলাদা হলেও তাইওয়ান কে পৃথক রাষ্ট্রের মর্যাদা কখনো দেয়নি চিন ।চিন বরাবরই দাবি করে এসেছে তাইওয়ান চিনেরই অংশ। আর যতবার আমেরিকা আর তাইওয়ান কাছে আসার চেষ্টা করেছে বা তাদের কূটনৈতিক বৈঠক হয়েছে তার পরের দিনেই কার্যত তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক মহড়া চালিয়েছে চিন।


চিনের এই সামরিক মহড়ায় রয়েছে ৯টি যুদ্ধজাহাজ। এছাড়াও যুদ্ধ জাহাজে রয়েছে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ,ড্রেসটয়ার, যুদ্ধবিমান ট্যাঙ্কার এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র । অর্থাৎ রন সাজে সজ্জিত হয়ে মহড়া শুরু করেছে চিন। যদিও তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইঙ্গ ওয়েন চিনের এই রক্ত চক্ষুকে প্রাধান্য দিচ্ছেন না। তিনি ঘোষণা করেছেন আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সহ প্রযুক্তির আদান-প্রদান তারা বজিয়ে রাখবেন। পাশাপাশি তাইওয়ান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর সেটাও জানিয়েছেন তিনি।

About Post Author