Home » মুর্শিদাবাদ ফিরে পাওয়াই লক্ষ্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মুর্শিদাবাদ ফিরে পাওয়াই লক্ষ্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ মেঃ দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। যদিও পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে হবে এ রাজ্যে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহে বিরোধী শিবির। এই মুহূর্তে তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে জেলায় জেলায় ঘুরছেন অভিষেক। উত্তরবঙ্গে তাঁর শেষ করে মালদহ  মুর্শিদাবাদ হয়ে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশের মুখে সেই কর্মসূচি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচির কারণেই পিছিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন। শাসক দল বিগত ২০১৮ সালের মতোই পঞ্চায়েত নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করাতে চায় না, এমনটাই দাবি বাম-কংগ্রেসের। এদিকে রবিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তার নবজোয়ার কর্মসূচি থেকে ২০২৪ লোকসভা টার্গেট বেঁধে দিলেন ৪০ টি আসন। আর সেখানেই বিরোধী বাম কংগ্রেসের দাবি গণতান্ত্রিক পরিমণ্ডলে বিরোধীশূন্য করার চক্রান্ত রচনার চেষ্টা করছে তৃণমূল, বলে দাবি করা হয়েছে।

তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে রবিবার মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার ‘অধিবেশন’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে অভিষেক বলেন, “২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টার্গেট ৪০ টি আসন। মুর্শিদাবাদে তিনটির মধ্যে তিনটিতেই জয় চাই।” জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ আলোচনায় এদিন কড়া বার্তা দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। সাফ জানিয়ে দেন, “দলের নির্দেশ আর প্রার্থী সবাইকে মানতে হবে৷” দলীয় কোন্দলকে কোনওভাবেই আর প্রশ্রয় দেওয়া হবে না এদিন তা স্পষ্ট করে দেন অভিষেক। তিনি বলেন, “মাঝে মধ্যেই এত ক্ষোভ কেন? একে মানছি না, ওকে মানব না এই সব করা চলবে না৷ সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। দল যে কর্মসূচী দিচ্ছে তা করতেই হবে। ” এদিন মুর্শিদাবাদে অভিষেকের মুখে স্বাভাবিক ভাবেই বার বার উঠে আসে সাগরদিঘি প্রসঙ্গ। গত উপ নির্বাচনে সাগরদিঘী বিধানসভা কেন্দ্রে বিপুল ভোটে হার কিছুতেই যেন মেনে নিতে পারছে না রাজ্যের শাসক দল। পাশাপাশি সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কে ধস চিন্তা বাড়িয়েছে শাসক দলের।

আরও পড়ুন    কালিয়াগঞ্জের ঘটনায় ডিজি ও মুখ্যসচিবকে তলব করতে চান এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

এদিন তিনি বলেন, “সাগরদিঘি নিয়ে ভেবে বসে থেকে আর লাভ নেই। মানুষকে বোঝান”। দলীয় নেতাদের সতর্ক করে অভিষেক বলেন, “মানুষের পাশে যান, তাদের অভাব অসুবিধা শুনুন৷ কেন্দ্র কি আচরণ করছে সেটা তাদের বোঝান।” দলীয় সূত্রে খবর এদিন অনেকেই অভিষেকের সামনে অভিযোগ করেন, ব্লক সভাপতিরা বিধায়কের কথা শোনে না। এমনকি অভিষেকের কাছে জেলা নেতৃত্বের একটা অংশের তরফে আগামী ৩-৪ মাস বা অন্তত ৬ মাস পরপর সংগঠন নিয়ে বৈঠকে বসার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত গত এপ্রিল মাসে পহেলা বৈশাখের দিন রাজ্য সফরে এসে আগামী লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্য থেকে ৩৫ আসন দাবি করেন সর্বভারতীয় বিজেপি নেতা তথা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহা। সেই দাবিকে ছাপিয়ে এবার ৪০ আসন টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক।

About Post Author