Home » ১০০ কোটির গণ্ডি পার ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র

১০০ কোটির গণ্ডি পার ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ মেঃ বক্স অফিসে দারুণ জয় বহু বিতর্কিত ছবি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ছবিটি মুক্তি পেতেই শুরু হয়ে যায় জোর বিতর্ক। এমনকী বহু রাজ্যে ছবিটি নিষিদ্ধও করা হয়। এত বিতর্কের মাঝে ছবিটি মুক্তির দুদিনের মধ্যেই বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করেছিল এই ছবি। প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ছবির মোট কালেকশন ৮ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই দর্শকদের ব্যাপক মনও কেড়েছে এই ছবি। শনিবারই ১০০ কোটির গণ্ডি পার করল ছবিটি। স্বাভাবিকভাবে বলাই যায় যে রবিবার ছুটির দিনেও এই ছবি দারুণ ব্যবসা করবে। দেশের বাইরেও ইতিমধ্যেই মুক্তি পেয়েছে এই ছবি। বিদেশে এই ছবি এখনও পর্যন্ত ১০৯.২৫ কোটি টাকা আয় করে ফেলেছে।

ছবিটি পরিচালনা করেছেন বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন। যদিও ছবিটি মুক্তির আগে থেকেই বিতর্কের দানা বেঁধেছিল। এমনকী সেন্সর বোর্ড ছবির বহু দৃশ্য বাতিলও করেছিল। ছবির মুক্তি নিয়ে বামশাসিত কেরল নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ছবির মূল গল্পে রয়েছে কেরালার হিন্দু ও খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলাম ধর্মে এবং আইসিসএ যোগদান করানোর ঘটনা। কার্যত সেকারণেই ছবিটি মুক্তি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তার অভিযোগ,’ এই ছবির মাধ্যমে কেরালার ধর্ম নিরপেক্ষ পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে।রাজনৈতিক হিংসা ও ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে এই ছবির মাধ্যমে।’

আরও পড়ুন    শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগছেন ? রইল কিছু ঘরোয়া টোটকা

এর আগে ছবিটির ট্রেলারে দেখানো হয়েছিল, কেরল থেকে ৩২ হাজার মহিলাকে ধর্ম পরিবর্তন করিয়ে নিয়ে সিরিয়া এবং আফগানিস্তানে আইএসআই-র প্রশিক্ষণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তারপর থেকেই দানা বাঁধে বিতর্কের। যদিও ছবিটি মুক্তি পেতেই কেলারা মুখ্যমন্ত্রী টুইটে লেখেন,’কেরালায় গৃহহীন মানুষদের সংখ্যা শূন্য করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে কেরালা সরকার। আজ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষকে ঘর দেওয়া হয়েছে। ৪১ হাজারেরও বেশি মানুষদের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ৩ লাখেরও বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছেন। এটাই আসল কেরালা স্টোরি।’ অন্যদিকে, এই ছবির দারুণ প্রশংসা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ছবি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘দ্য কেরালা স্টোরি’ ছবিটি সমাজের সন্ত্রাসবাদের মুখোশকে জনসমক্ষে তুলে ধরবে। কেরালার মতো সুন্দর জায়গায় এই ধরনের সন্ত্রাসবাদ সমাজের চূড়ান্ত ক্ষতি করছে বলেই আমার বিশ্বাস। কংগ্রেস ছবিকে নিষিদ্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে!’

About Post Author