Home » ৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট, একদফাতেই নির্বাচন

৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট, একদফাতেই নির্বাচন

সময় কলকাতা ডেস্ক,৯ জুনঃ দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত ভোটের তারিখ ঘোষণা করলেন নব নিযুক্ত নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। তবে পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তায় রাজ্য পুলিশ নাকি কেন্দ্রীয় বাহিনী? পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিরাপত্তা দেবে কে? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে রাজীব সিনহা রাজ্য পুলিশের ওপর আস্থা রাখার ইঙ্গিতই দিলেন। জানা গিয়েছে ৮ জুলাই, শনিবার রাজ্যে ৬৩ হাজার ২৮৩টি আসনে একদফাতেই ভোট গ্রহণ করা হবে। আগামী ৯ জুন থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া শুরু হবে। ১৫ জুন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। মনোনয়ন প্রত্যাহার করার জন্য ২০ জুন পর্যন্ত সময় পাবেন পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থীরা। ১১ জুলাই গণনা ও ফলাফল ঘোষণা।

আরও পড়ুন    করমন্ডল কান্ডে দুর্ঘটনাগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে এবার হেল্পলাইন নম্বর চালু করলেন সোনু সুদ

রাজ্যে মোট ২২টি জেলায় ৩৩১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। মোট পঞ্চায়েত আসন ৬৩ হাজার ২৮৩টি। গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচন কেন্দ্রের সংখ্যা ৫৮ হাজার ৫৯৪। পঞ্চায়েত ভোটে মোট ভোটার হল ৫ কোটি ৬৭ লক্ষ ২১ হাজার ২৩৪। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভোটার রয়েছে মুর্শিদাবাদে। সবচেয়ে কম ভোটার রয়েছেন কালিম্পংয়ে। অন্যদিকে, শুক্রবার অর্থাৎ ৯ জুন থেকেই’’ রাজ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হয়ে যাচ্ছে। ফলে রাত ১০টা থেকে সকাল ৮ পর্যন্ত মিটিং মিছিল করা যাবে না। তবে বর্ষায় ভোট হওয়ায় গ্রামে ভোট দিতে সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। পাশাপাশি সর্বদলীয় বৈঠক না করেই পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একাংশ।


এদিকে, সর্বদল বৈঠক ছাড়া এদিন পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণায় ক্ষোভ প্রকাশ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। টুইটে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের মৃত্যু হল। সর্বদল বৈঠক নেই, নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আলোচনা নেই, অথচ দিন ঘোষণা হয়ে গেল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার তৃণমূলের আঞ্চলিক শাখার মতো আচরণ করছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর বিরোধীদের দাবি কার্যত উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

আরও পড়ুন  ২৩ জুন পাটনায় বিরোধী বৈঠক, থাকবেন রাহুল-মমতা-কেজরিওয়াল

পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্র-রাজ্য বাহিনী তরজা প্রসঙ্গে টুইটে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ”আমরা সকলে পঞ্চায়েত ভোট করাতে প্রস্তুত। বিরোধীরা অনেকে দাবি তুলছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী, লোকসভা বা বিধানসভা ভোট যেহেতু জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে হয়, তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো নিয়ে তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোট হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নজরদারিতে। সুরক্ষার দায়িত্ব থাকে রাজ্য পুলিশের। এবারও রাজ্য পুলিশই নিরাপত্তা দেবে।”

About Post Author