Home » আফগানদের নাস্তানাবুদ করে ৫৪৬ রানে জয় বাংলাদেশের

আফগানদের নাস্তানাবুদ করে ৫৪৬ রানে জয় বাংলাদেশের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ জুন : বাংলাদেশে বিপর্যস্ত আফগান বাহিনী। ম্যাচের ভাগ্য আগেই নির্ধারিত হয়েছিল। চতুর্থ দিনে মাত্র ২২ ওভার হতে না হতেই খেলায় ঘটল যবণিকাপাত। টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম বড় জয়ের সাক্ষী হয়ে থাকল ঢাকার শের ই বাংলা স্টেডিয়াম। সিরিজের একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশ ৫৪৬ রানে হারিয়ে দিল আফগানিস্তানকে। ৬৬২ রানের লক্ষ্য নিয়ে তৃতীয় দিনেই দু উইকেট খুইয়ে ধুঁকছিল আফগান বাহিনী। চতুর্থ দিনের মধ্যাহ্ন ভোজের আগেই শরিফুল -তাসকিনের জোড়া ফলার সামনে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে আফগানরা।

প্রথম ইনিংসে ২৩৬ রানের লিড নিয়েও আফগানিস্তানকে ফলোঅন না করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশী অধিনায়ক লিটন দাস। দ্বিতীয় ইনিংসে দ্বিতীয় দিনেই বড় ইনিংসের ইঙ্গিত রেখেছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা । প্রথম ইনিংসের পরে দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরি করেন নজমুল হোসেন শান্ত।  শান্ত বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার যিনি উভয় ইনিংসে শতরান করার গৌরব অর্জন করলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন মোমিনুল হকও। রানে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। তৃতীয় দিনে আফগানিস্তানের বোলারদের ওপরে রোলার চালিয়ে দেয় বাংলাদেশের ব্যাটাররা।দুই শতরানকারী ব্যাটার সমান মাত্রায় নির্দয় ছিলেন। এরই মাঝে একই টেস্টের উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন শান্ত।প্রথম ইনিংসে ১৪৬ রান করার পরে দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি করেন ১২৪। মোমিনুল করেন অপরাজিত ১২১। ৬৬ রানে অপরাজিত থেকে যান লিটন। ৮০ ওভার খেলে ৪ উইকেটে ৪২৫ রান তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনেই দুই আফগান ওপেনারকে আউট করে সাজঘরে পাঠায় বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন :ভারতীয় ফুটবলের স্বর্ণযুগের কান্ডারী রহিম স্যার

টেস্টের চতুর্থ দিনে আফগানদের প্রতিরোধ বলতে বিশেষ কিছুই ছিল না। একের পর এক ব্যাটার এসেছেন ও ফিরেছেন।আফগান অধিনায়ক হাসমাতুল্লাহ শাহিদী ১৩ রান করে আহত হয়ে অবসর নেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ। তিনি ৩৭ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন।।

About Post Author