সময় কলকাতা ডেস্ক,৩ জুলাইঃ ভাঙন ধরেছে মারাঠা স্ট্রংম্যানের পওয়ার শিবির। এই পরিস্থিতিতে বেঙ্গালুরুর বিরোধী বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে বেঙ্গালুরুর বৈঠক পিছিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও তড়িঘড়ি বৈঠকের দিন ঘোষণা করে দিলেন কেসি বেনুগোপাল। সোমবার কংগ্রেসের তরফে বেনুগোপাল বলেন, বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠক হবে ১৭ ও ১৮ জুলাই। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পাটনার বৈঠকে হাজির সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শরদের শিবিরে ভাঙন ধরায় জাতীয় স্তরে হঠাৎই কোণঠাসা এনসিপি। বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে অনেকটাই প্রকট হয়ে উঠছে রাহুল গান্ধির মুখ। এমনকী উঠে আসছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও।
আরও পড়ুন এনসিপিতে ভাঙনের জের, পিছিয়ে গেল বেঙ্গালুরুর বিরোধী বৈঠক

এহেন পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলিকে ঐক্যবদ্ধ করার নেতৃত্বে রাহুল গান্ধি বড় ভূমিকা গ্রহণ করলে লাভ কংগ্রেসেরই। সেই কারণেই এনসিপি শিবিরের ভাঙনকে কাজে লাগিয়ে আগেভাগেই বৈঠকের পক্ষে হাত শিবির। এখন দেখার বাকি বিরোধী দলকে কোন পথে এগোয়। আগামী ২০ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। ১১ আগস্ট শেষ হবে। শোনা গিয়েছিল, তারপরই বিরোধীদের দ্বিতীয় বৈঠকের দিনক্ষণ স্থির হবে। সংসদের অধিবেশনে আমলাদের নিয়োগ ও বদলি নিয়ে দিল্লি সরকারের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া সংক্রান্ত কেন্দ্রের অর্ডিন্যান্স পেশ হওয়ার সম্ভাবনা। আর তাতে আপ নেতৃত্ব অর্থাৎ কেজরিওয়ালের দলের পাশে কোন কোন বিরোধী দল দাঁড়ায়, তা দেখে বিরোধী ঐক্যের একটা পরীক্ষা হয়ে যাবে। বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটের ফলপ্রকাশ হবে ১১ জুলাই। এরপর অন্যান্য রাজ্যেও নানা স্তরের নির্বাচন রয়েছে। তার উপর বাদল অধিবেশন শেষের পর বিভিন্ন রাজ্যে বিধানসভা অধিবেশনও রয়েছে। সবমিলিয়ে আগামী কিছুটা সময় নানা কাজে ব্যস্ত থাকবে বিরোধী দলগুলি।

আরও পড়ুন রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ হাই কোর্টে
তাই মনে করা হয়েছিল বিরোধী বৈঠক আগস্টের শেষভাগে হতে পারে। কিন্তু, সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠকের দিনক্ষণ ঘোষণা করল কেসি বেনুগোপাল। প্রসঙ্গত, রবিবারই মহারাষ্ট্রের শিবসেনা-বিজেপি জোট সরকারে যোগ দিলেন অজিত পাওয়ার। রবিবাসরীয় দুপুরে শপথ নিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে। রবিবার সকালেই বেশ কয়েকজন দলীয় নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন অজিত পাওয়ার। শরদ-কন্যা সুপ্রিয়া সুলেও সেই বৈঠকে ছিলেন। সূত্রের খবর, শরদ পাওয়ার এই বৈঠক সম্পর্কে কিছু জানতেন না। বেশ কিছুদিন ধরেই ভাইপো অজিতের সঙ্গে শরদ পাওয়ারের সংঘাতের খবর শিরোনামে আসছিল৷ শরদ পাওয়ারের পদত্যাগের পরেও অজিতের বিজেপি-তে যাওয়ার সম্ভাবনা আরও প্রকট হয়৷ শেষপর্যন্ত অজিতের ‘বিদ্রোহে’র পরই এনসিপির ফাটল স্পষ্ট হয়।


More Stories
বিজেপি বিপক্ষ দল ভাঙাতে কত কোটি টাকা দিচ্ছে বলে অভিযোগ?
বিপাকে প্রাক্তন সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইঞা!
আগের সরকারের সবকিছুতেই ফুলস্টপ নয়, বললেন শিক্ষামন্ত্রী