সময় কলকাতা স্পোর্টস ডেস্ক, ১২ জুলাই : ১৯৭৯ সাল। সেবছর ইস্টবেঙ্গল ছেড়েছেন এক ঝাঁক বাঙালি তারকা ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে তখন শুরু হতে চলেছে মজিদ – জামশিদের স্বল্প সময় কালীন অথচ অসম্ভব প্রভাব ফেলা দুটি বছর। মজিদকে তখন চিনতেন না ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। সেবছর ইস্টবেঙ্গল এলেন হরজিন্দার সিং। হরজিন্দার তখন ভারতীয় ফুটবলে অসম্ভব জনপ্রিয় নাম। তার সঙ্গে এলেন গুরদেব সিং ও মনজিৎ সিং। এই ত্রয়ী মিলে যে পাঞ্জাব ব্রিগেড গঠন করেছিলেন তা খুব কার্যকরী না হলেও ইস্টবেঙ্গল দলে পরবর্তী সময়েও বারবার পাঞ্জাব ব্রিগেড গড়া হয়েছে। পাঞ্জাব থেকে অনেক ফুটবলার ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলতে এসে সাফল্য পেয়েছেন কলকাতা মাঠে। অনেকে সাফল্য পান নি।কয়েকবছরের ব্যবধানে এবার আবার পাঞ্জাব ব্রিগেড করা হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল।অন্তত পাঁচ -ছয় জনের পাঞ্জাব তনয়ের এবারের যোগদান সময়ের অপেক্ষা।
এ মরশুমে ইস্টবেঙ্গল দলে কীরকম হল পাঞ্জাব ব্রিগেড? কমলজিৎ সিংয়ের ওপরে শুধুমাত্র ভরসা না করে প্রচুর টাকা খরচ করে নিয়ে আসা হয়েছে প্রভসুখন গিলকে। আসছেন তস্য দাদা, গুরসিমরাত গিল।গুরসিমরাত আইএসএলে আগে খেললেও অবশ্যই ডিফেন্সলাইনে ফার্স্ট চয়েস নন।ইস্টবেঙ্গলে দীর্ঘদিন সার্ভিস দেওয়া হরমনজ্যোত খাবরা ফিরেছেন দীর্ঘ সাত বছর পরে।খাবরার অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। এছাড়াও ইস্টবেঙ্গলের দুই বিদেশি স্ট্রাইকারের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে গুরকিরাত সিংকে। ক্লাবের একটি বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, মুম্বাই এফ সির সঙ্গে তাঁর চুক্তি থাকলেও ইস্টবেঙ্গল লোনে তাঁকে নিয়ে আসছে। ডিল ডান হওয়ার পথে।ইস্টবেঙ্গলে পাঞ্জাব ব্রিগেড গড়ার ষোলকলা পূর্ণ হবে গুরকিরাত এলে। বলা হচ্ছে, অসম্ভব প্রতিভাবান এই স্ট্রাইকার। তাঁর প্রমাণ , জাতীয় দলের হয়ে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে গোলের বন্যা বইয়ে তিনি ইস্টবেঙ্গলে আসছেন। সিনিয়র স্তরে এখনও তিনি প্রচুর সুযোগ পান নি। যেটুকু সুযোগ পেয়েছেন, সেখানে বিশেষ কিছু করেন নি – তবুও তাঁর মধ্যে খেলা রয়েছে মনে করেন তাঁর প্রাক্তন কোচ ফ্লয়েড পিন্টোর মত অনেকেই। তিনি লাল হলুদ জার্সিতে কতটা ক্ষুরধার হয়ে ওঠেন সেকথা সময়ই বলবে।
আরও পড়ুন : রেকর্ড অর্থের বিনিময়ে তারকা গোলরক্ষক ইস্টবেঙ্গলে


More Stories
ফুটবলে সাফল্য ভারতের : পানামার কোচের পরামর্শ
কবাডিতে সোনা আনল মেয়েরা
বাংলার খুদে মেয়েরা ফুটবলে ভারত চ্যাম্পিয়ন