Home » জমি কেলেঙ্কারি মামলায় ফের ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে তলব ইডির

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় ফের ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে তলব ইডির

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২০ আগস্ট: খনির পর জমি কেলেঙ্কারি মামলায় এবার আরও বিপাকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। জানা গিয়েছে,জমি কেলেঙ্কারি মামলায় আর্থিক তছরুপের কারণে শনিবার ফের ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীকে তলব করেছে ইডি। আগামী ২৪ আগস্টের মধ্যে তাঁকে রাঁচির ইডির জোনাল অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। এর আগে গত ১৪ আগস্ট জমি কেলেঙ্কারি মামলায় তাঁকে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তিনি ব্যক্তিগত সমস্যার কথা জানিয়ে হাজিরা দেননি। জানা গিয়েছে,জমি সংক্রান্ত আর্থিক বেনিয়মের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের কারনেই তলব করা হয়েছে হেমন্ত সোরেনকে। জমি কেলেঙ্কারি মামলায় এখনও পর্যন্ত একজন আইএএস অফিসার-সহ মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ইডি।

গত বছরই পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডে সেনাদের জমি বেআইনিভাবে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। জমি হাতিয়ে কোটি কোটি টাকা বেআইনি লেনদেনের কথাও জানতে পারে ইডি। সেই ঘটনায় ঝাড়খণ্ডের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও মাফিয়া জড়িত রয়েছে বলেই ইডি সূত্রে খবর। ইডির তলব প্রসঙ্গে ঝাড়খণ্ড জনমুক্তি মোর্চার নেতা রাজেশ ঠাকুর বলেন,‘তদন্তকারী সংস্থা একটা গল্প তৈরি করতে চাইছে। সেটা আদেও হবেনা। যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর ১৫ আগস্ট পতাকা উত্তোলনের কথা, সেখানে ১৪ আগস্ট কিভাবে তাঁকে তলব করা হয়? এখন আবার ২৪ আগস্ট তলব করেছেন কেন? আপনারা তো ১৭ বা ১৮ অগস্ট তলব করতে পারতেন। এতেই প্রমাণিত হচ্ছে যে আপনাদের তদন্তে করার কোনও তাড়া নেই। এটা ঠিক নয়।’

আরও পড়ুন   ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পরই ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য পেল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে ঝাড়খণ্ডের খনি কেলেঙ্কারি মামলায় হেমন্ত সোরেনের আপ্তসহায়ক পঙ্কজ মিশ্রকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। পাশাপাশি পঙ্কজ মিশ্রর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় নগদ আরও ৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। বেআইনি খনি ও আর্থিক তছরুপ মামলায় নাম জড়ায় ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের। নিয়ম ভেঙে নিজের নামে খনির লিজ নেওয়ার অভিযোগও ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছিল বিজেপি। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শুরু জোর বিতর্ক। যার কারণে মুখ্যমন্ত্রীর পদও খোয়াতে বসেছিলেন হেমন্ত সোরেন। যদিও শেষ পর্যন্ত আস্থা ভোটে তিনি জয়ী হন।

About Post Author