Home » ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পরই ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য পেল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পরই ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য পেল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ আগস্ট: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার জেরে উত্তাল রাজ্য। এই অশান্তির আবহের মাঝেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ঠিক করলেন যাদবপুরের আচার্য তথা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। জানা গিয়েছে,গণিত বিভাগের অধ্যাপক বুদ্ধদেব সাউকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব দিয়েছেন রাজ্যপাল। এখন থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য পদের দায়িত্ব সামলাবেন বুদ্ধদেব সাউ। গণিত বিভাগের অধ্যাপকের পাশাপাশি তিনি জাতীয়তাবাদী অধ্যাপক ও গবেষক সঙ্ঘের পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের রাজ্য সভাপতিও। যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পরই হস্টেলে র্যা গিংয়ের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। তারপরই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এই প্রেক্ষিতে যাদবপুরে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী উপাচার্য না থাকার বিষয়টিও সামনে আসে। এহেন পরিস্থিতিতে বুধবারই বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষপদস্থ আধিকারিকদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরপরই এ বিষয়ে পদক্ষেপ করলেন রাজ্যপাল।

আরও পড়ুন  বিসিসিআই সচিবকে আমন্ত্রণ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের, যাবেন জয় শাহ?

যদিও, রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপাল ও রাজ্য সরকারের মধ্যে বেনজির সংঘাতের সাক্ষী থেকেছে গোটা বাংলা। সেই আবহেই যাদবপুরে উপাচার্যের দায়িত্ব সেই বিশ্ববিদ্যালয়েরই অধ্যাপকের হাতে দিলেন রাজ্যপাল। এর আগে গত ৩১ মে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন সুরঞ্জন দাস। তারপর থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক অমিতাভ দত্তর হাতে অস্থায়ী উপাচার্যের দায়িত্ব দিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এসবের মাঝেই গত ৪ আগস্ট রাজ্যপাল অমিতাভ দত্তকে ইস্তফা দিতে বলেন। তারপর থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে স্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ করা হয়নি।

আরও পড়ুন    হাওয়া বদল! বঙ্গে ফের ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ 

এদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ইউনিট ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদ। সভাপতি করা হয়েছে যাদবপুরেরই প্রাক্তন পড়ুয়া রাজন্যা হালদারকে। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পরই শনিবার রেজিস্ট্রারের ঘরে গিয়ে রাজন্যা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। অবিলম্বে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর দাবিও জানান। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজন্যা বলেন, ‘যেকোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতেই হবে। আমরা রেজিস্ট্রারকে বলেছি, ১০ দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাতেই হবে। সিসিটিভি লাগানো নিয়ে কারও আপত্তি শুনবেন না। আমরা তো কারও বেডরুমে সিসিটিভি বসানোর দাবি জানাচ্ছি না। এটা ছাত্র সমাজের সুরক্ষার স্বার্থেই করা জরুরি।’ সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর দাবিতে ইতিমধ্যেই ডেপুটেশন জমা দিয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।

About Post Author