Home » নীলগঞ্জে বিস্ফোরণের ঘটনায় সাসপেন্ড নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি ও দত্তপুকুর থানার আইসি

নীলগঞ্জে বিস্ফোরণের ঘটনায় সাসপেন্ড নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি ও দত্তপুকুর থানার আইসি

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৮ আগস্ট: উত্তর ২৪ পরগনার নীলগঞ্জে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত নয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। নীলগঞ্জ যেন আস্ত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এবার এই বিস্ফোরণকাণ্ডে দত্তপুকুর থানার অন্তর্গত নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি এবং দত্তপুকুর থানার আইসিকে সাসপেন্ড করা হল। জানা গিয়েছে, নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি হিমাদ্রি ডোগরাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেই জায়গায় নীলগঞ্জ ফাঁড়ির নতুন ওসি সঞ্জয় বিশ্বাসকে করা হয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় দত্তপুকুর থানার আইসি শুভব্রত ঘোষকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেই জায়গায় নতুন আইসি করা হয়েছে সুজিত পতিকে।


উল্লেখ্য, নীলগঞ্জের মোচপোলে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনও থমথমে গোটা এলাকা। সোমবারও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ছিন্নভিন্ন দেহাংশ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজর্ষি লাহিড়ী থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদারও। সিবিআই -এনআইএ তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের জোড়া মামলা দায়ের করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেইমতো সোমবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিট নাগাদ নীলগঞ্জের মোচপোল এলাকার দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেলেন এনআইএ আধিকারিকরা। তবে সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত এনআইএ তদন্তভার হাতে নেয়নি বলেই জানা গিয়েছে। কেননা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি।

আরও পড়ুন      বারাসাতের নীলগঞ্জে ভয়াবহ বিস্ফোরণকাণ্ডে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এনআইএ

প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতের নীলগঞ্জের মোচপোল এলাকায় বেআইনি ওই বাজি কারখানায় শব্দবাজি তৈরি হত। রবিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ তীব্র বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে নীলগঞ্জের মোচপোল। মুহূর্তের মধ্যে নীলগঞ্জ যেন আস্ত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়। চারিদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যায় ছিন্নভিন্ন দেহাংশ। জানা গিয়েছে, বেআইনি ওই বাজি তৈরির কারখানায় প্রচুর পরিমাণে বাজির মশলা মজুত থাকায় বিস্ফোরণে পুরোপুরি উড়ে গিয়েছে কারখানাটি। রবিবার রাতের পর সোমবার সকালেও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। এদিন বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পাশের বাড়ির টালির চাল, পেয়ারা গাছে আটকে যায় একাধিক দেহ। মাটির সঙ্গে মিশে যায় পাকা বাড়ি। এমনকী আশেপাশের বেশকয়েকটি বাড়িও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

About Post Author