Home » সত্যিই অস্তিত্ব রয়েছে জাদুদের! মেক্সিকো কংগ্রেসের ঘটনায় চাঞ্চল্য

সত্যিই অস্তিত্ব রয়েছে জাদুদের! মেক্সিকো কংগ্রেসের ঘটনায় চাঞ্চল্য

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১৪ সেপ্টেম্বর: সত্যজিৎ রায়ের লেখা গল্প বঙ্কুবাবুর বন্ধু বা রাকেশ রোশনের ‘কোই মিল গ্যায়া’ ছবিতে তাঁদের কথা রয়েছে। ভিনগ্রহ থেকে পথভোলা পথিকের মত যাঁরা পৃথিবী নামক উপগ্রহে এসে হাজির হয়েছিলেন। তবে গপ্পো আর চলচ্চিত্রের সঙ্গে তো বাস্তবের ফারাক রয়েছে। পৃথিবী একবিংশ শতকের প্রায় এক চতুর্থাংশ সময় অতিক্রান্ত করে ফেলেছে। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিকাশ ঘটেছে দ্রুত গতিতে। সদ্য ভারত চাঁদের দক্ষিণ অংশে সফলভাবে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে। তবুও তাঁদের অস্তিত্ব নিয়ে কৌতুহলের নিরসন ঘটেনি। একপক্ষ বিশ্বাসী যদি পৃথিবীতে প্রাণের স্পন্দন মিলতে পারে তাহলে ভিন উপগ্রহে মেলাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। যদিও এনিয়ে পাল্টা অনেক দাবিও রয়েছে।

সে যাই হোক না কেন। প্রথম পক্ষের হয়ে তত্তৃে বিশ্বাসী একজন হলেন মেক্সিকোর সাংবাদিক ও উফোলজিস্ট জেইম মাউসান। শুধু বিশ্বাস করেন এমনটা নয় এবার তিনি যা করলেন তা আগামীদিনে এলিয়েন বা ভিনগ্রহী প্রাণীদের সম্পর্কে কৌতুহল আরও বাড়িয়ে দেবে। সম্প্রতি মেক্সিকো কংগ্রেসে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেন মাউসন। সেখানে তথাকথিত ভিন গ্রহের প্রাণী বা এলিয়েনদের দেহাংশ দেখানো হয়। দুটি বড় বাক্সে রাখা হয়েছিল অদ্ভুত প্রাণীর দেহাংশ গুলিকে।

প্রাণীগুলির দেহ আকারে ছোট। প্রতিটি হাতে তিনটি করে আঙুল এবং মাথা লম্বা। মাথার পেছনের অংশ ডিম্বাকৃতির। তাঁর দাবি, দেহাবশেষগুলির বয়স প্রায় ১০০০ বছর।মেক্সিকোর ন্যাশনাল অটোনোমাস ইউনিভার্সিটির (ইউএনএএম) রেডিয়োকার্ব তাঁদের এই বয়স নির্ধারণ করে।

যদিও মাউসানের দাবি সর্বজন স্বীকৃত একেবারেই নয়। এই দেহাংশগুলির সঙ্গে মানুষের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন মেক্সিকান নৌবাহিনীর সায়েন্টিফিক ইনস্টিটিউট ফর হেলথের ডিরেক্টর হোসে দে জেসুস জালস বেনিটেজ। দেহাংশগুলির ডিএনএ বিশ্লেষণ, হাড়ের পরীক্ষা, থ্রি ডাইমেনশনাল পরীক্ষা করে একথা জানিয়েছেন তিনি। ২০১৭ সালে মেক্সিকোর ইউএনএএমও দাবি করেছিল নমুনাটির অর্থাৎ ওই প্রাণীটির দেহাবশেষ পরীক্ষা করা হয়েছিল বয়স নির্ধারণের জন্য। তাঁরাও প্রাণীটির উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট করে কোনও ধারণা দিতে পারেনি। সব মিলিয়ে ঘটনার পর থেকে এলিয়েনের অস্তিত্ব ফের শুরু হয়েছে জল্পনা।

About Post Author