Home » ডেভিডের জোড়া গোল,লাল-হলুদকে হারিয়ে মিনি ডার্বির রং সাদা-কালো

ডেভিডের জোড়া গোল,লাল-হলুদকে হারিয়ে মিনি ডার্বির রং সাদা-কালো

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২০ সেপ্টেম্বর: মিনি ডার্বির রং সাদা-কালো। কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনের ম্যাচে বৃহস্পতিবার ইস্টবেঙ্গলকে হারাল মহামেডান। ম্যাচের ফল মহামেডানের পক্ষে ২-১। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক ডেভিড লালানসাঙ্গা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে কলকাতা লিগে নিজেদের জমি আরও মজবুত করল মহামেডান স্পোর্টিং।

সুনীল ছেত্রীর পর ভারতীয় ফুটবল দলের রাশ কি থাকবে তাঁর হাতে? কথাটা সহজ মনে হলেও, কাজটা এতটা সহজ নয়। কারণ সেই দৌড়ে ইতিমধ্যে রয়েছেন অনেকে। তবু কলকাতা ময়দানে এরকম বহু অসম্ভব সম্ভব হয়েছে। তাহলে তিনিও আশা করতে পারেন আগামী দিনে দেশের সেরা স্ট্রাইকারের ব্যাটনটা নিজের হাতে নেওয়ার। কথা হচ্ছে ডেভিড লালানসাঙ্গার। মহামেডানের হয়ে প্রতিটি ম্যাচে নিজেকে প্রমাণ করছেন মণিপুরের এই ফুটবলার। সদ্য সমাপ্ত ডুরান্ড কাপে নকআউট পৌঁছতে পারেনি মহামেডান। তবু গোল্ডেন বুট বা সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন ডেভিড। কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে প্রত্যেক ম্যাচে গোল করে নিজের জাত চেনাচ্ছেন।

বুধবার ডেভিডের ঝড়ে বেসামাল ইস্টবেঙ্গল। ইস্টবেঙ্গলের বিপক্ষে জোড়া গোল করলেন। তাঁর দল জিতল ২-১ গোলে। খেলার শুরুতেই গোল করেন মণিপুরের এই ফুটবলার। লালরেমসাঙ্গার ক্রস হালকা ছোঁয়ায় জড়িয়ে দিলেন জালে। তিন কাঠি কতটা ভালো চেনেন ফের প্রমাণ করলেন ডেভিড। খেলার ৩৯ মিনিটে ফের ইস্টবেঙ্গলের জালে বল জড়ালেন তিনি। সেই লালরেমসাঙ্গার পাস থেকে ইস্টবেঙ্গলের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোল করেন। এটা নিয়ে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে ১৭ তম গোলটি করে ফেললেন মণিপুরের ফুটবলার। প্রথমার্ধে গোলের কয়েকটি সুযোগ পায় লাল-হলুদ। তবে, মহামেডান গোলরক্ষকের তৎপরতায় সেই সুযোগ ভেস্তে যায়। প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় মহামেডান।

আরও পড়ুন     চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ মুহূর্তে সমতাসূচক গোল লাজিও গোলরক্ষকের, জয় পেল বার্সা-পিএসজি-সিটি

দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধ করতে মরিয়া চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গল। খেলার ৫৮ মিনিটে ইরশাদ লালকার্ড দেখায় দশজনে হয়ে যায় মহামেডান। ইস্টবেঙ্গলকে একটি পেনাল্টি দেন রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল করে একটি ব্যবধান কমান ইস্টবেঙ্গলের নন্দ কুমার শেখর। দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় ৩০ মিনিট মহামেডানকে দশজনে পেয়েও গোল করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। খেলা শেষেও ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় দুই দলের ফুটবলারদের। রেফারি ও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে ম্যাচ শেষে শান্ত হন ফুটবলাররা।

About Post Author