Home » অনুষ্টুপের দুরন্ত শতরান, পঞ্জাবকে হারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফির প্রি-কোয়ার্টারে বাংলা

অনুষ্টুপের দুরন্ত শতরান, পঞ্জাবকে হারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফির প্রি-কোয়ার্টারে বাংলা

স্পোর্টস ডেস্ক,সময় কলকাতা, ৫ ডিসেম্বর: গোয়ার পর পঞ্জাবকে হারিয়ে বিজয় হজারে ট্রফির প্রি-কোয়ার্টারে বাংলা। মহারাষ্ট্রের দাদোজী কন্দাদেব স্টেডিয়ামে পঞ্জাবকে ৫২ রানে হারালেন সুদীপ ঘরামিরা। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪২ রান তোলে বাংলা দল। সৌজন্যে অনুষ্টুপের দুরন্ত শতরান। রান তাড়া করতে নেমে ২৪.১ ওভারে ১৯০ রানে গুটিয়ে যায় পঞ্জাবের ইনিংস। কৌশিক ও শাহবাজ দুজনেই ৩ টি করে উইকেট নেন।

৫০ ওভারের ঘরোয়া ক্রিকেট বা বিজয় হজারে ট্রফির প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে  উঠল বাংলা। মঙ্গলবার প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে হলে জিততেই হত বাংলাকে। হাইভোল্টেজ ম্যাচে টসে জিতে বাংলাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় পঞ্জাব। দিনের প্রথম বলেই শাকির গান্ধির উইকেট হারায় বাংলা। ব্যর্থ হন দলের অপর ওপেনার অভিষেক পোড়েলও। শুরুতে দুই উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় বাংলা। এরপর দলের দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন  অনুষ্টুপ মজুমদার। ১১৬ বলে ১১১ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১০টি চার এবং দু’টি ছক্কা আসে বাংলার এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ব্যাট থেকে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় রান পাননি সুদীপ ঘরামি। বাংলার অধিনায়ক করেন ২৬ রান। কিছুটা লড়াই করেন শাহবাজ আহমেদ। ১৬ রান করে আউট হন তিনি। এরপর অনুষ্টুপকে সঙ্গ আট নম্বরে নামা করণ লাল। ৬৩ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। ৭ টি চার ও ২ টি ছয় মারেন করন।  বাকি আর কোনও ব্যাটার ১০ রানের গণ্ডি পার করতে পারেননি। পঞ্জাবের হয়ে এদিনের সফলতম বোলার বলতেজ সিং। ৫ উইকেট নেন তিনি। এছাড়াও একটি করে উইকেট নেন সিদ্ধার্থ কৌল, অভিষেক শর্মা, প্রেরিত দত্ত এবং ময়াঙ্ক মরকন্ডে। ৫০ ওভারে লক্ষীরতনের দল তোলে ২৪২ রান।

আরও পড়ুন: SOURAV-VIRAT CONTROVERSY: বিরাটকে নেতৃত্ব থেকে  সরানো নিয়ে ফের মুখ খুললেন সৌরভ

রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে পঞ্জাব। পঞ্জাবের লক্ষ্য ছিল নেট রানরেটের দিকে। দ্রুত রান তোলার চক্করে দ্রুত উইকেটও হারাতে থাকে তারা। বাংলার বোলাররাও দারুণ ছন্দে ছিলেন। ফলে ২৪.১ ওভারে পঞ্জাব ১৯০ রান তুলে নিলেও অল আউট হয়ে যায়। পঞ্জাবের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন সনভীর সিং। এছাড়াও ওপেনিংয়ে প্রভসিমরান ৩১, মনদীপ ২৭ ও সিদ্ধার্থ কৌল ২৩ রান করেন। তবুও শেষ রক্ষা হয়নি। বাংলার হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন শাহবাজ আহমেদ এবং কৌশিক মাইতি। দু’টি করে উইকেট নেন মহম্মদ কইফ এবং প্রদীপ্ত প্রামাণিক। যদিও এদিন অনেক রান খরচ করে ফেলেন বাংলার দুই জোরে বোলার কইফ ও আকাশদীপ।

পঞ্জাবের বিরুদ্ধে জিতলেও সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়া হল না বাংলার। কারণ প্রতিযোগিতার নিয়ম হল, পাঁচটি গ্রুপ থেকে সেরা পাঁচটি দল সরাসরি খেলবে কোয়ার্টার ফাইনালে। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করা পাঁচটি দল ও পয়েন্টের বিচারে তৃতীয় স্থানে থাকা একটি দলকে নিয়ে হবে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল। ৬ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট তুলে নিলেও ই গ্রুপের দুই নম্বরে শেষ করতে হল বাংলাকে। কারণ তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বে হারতে হয়েছিল তাদের। ৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ।

About Post Author