Home » প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় স্বস্তি পর্ষদের, ডিভিশন বেঞ্চে খারিজ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ

প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় স্বস্তি পর্ষদের, ডিভিশন বেঞ্চে খারিজ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১০ জানুয়ারিঃ প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় স্বস্তি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের। শিক্ষক নিয়োগ মামলায় ফের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। কিছুদিন আগেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ২০১৬ সালের মোট ৪২ হাজার ৯৪৯ জন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য পর্ষদকে প্যানেল প্রকাশের জন্য ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বুধবার বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিল। জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার ভিত্তিতে ২০১৬ সালে প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়। সেই নিয়োগেই ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও দায়ের হয়েছিল।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন,শীঘ্রই আদালতে ওই বছরের নিয়োগের প্যানেল পেশ করতে হবে। তারপরেই সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। তবে, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ হয়ে গেলেও মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসেই ফেরানো হয়েছ। তিনিই সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলেই সূত্রের খবর।প্রসঙ্গত, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে একাধিকবার বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। এমনকী প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপরই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্ত শুরু করেছিল।

আরও পড়ুন  ঝোল কিংবা কষা নয়, স্বাদ বদলাতে বানিয়ে ফেলুন বাদশাহি ডিম কোর্মা

কিন্তু সিবিআই তদন্ত একেবারেই সন্তুষ্ট নয় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এহেন পরিস্থিতিতে গত মাসেই সিট প্রধান অশ্বিন শেণভিকে আদালতে তলব করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেসময় বিচারপতি বলেন, ‘সিবিআই ফেল করেছে সেটা সারা দেশ জানুক। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের ভূমিকা খুবই খারাপ। এমন অনেক প্রশ্নই ঠিক মত করেননি সিবিআই আধিকারিকরা।’ যদিও এর আগেও বহুবার প্রাথমিকে নিয়োগের মামলায় সিবিআইকে ভর্ৎসনা করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। দু’মাস আগেই এই মামলায় হাইকোর্টে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন প্রাথমিকের ৩২ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষিকা। হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, আপাতত বাতিল হচ্ছে না নিয়োগ। নতুন করে আর কোনও ইন্টারভিউ দিতে হবে না।

 

About Post Author