সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩ জুনঃ চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে গেলে এমন করেই চুলের যত্ন নিতে হবে, যাতে এইসময় আপনাকে পার্লারে গিয়ে টাকা খরচ করতে না হয়! সারাদিন রোদে,ধুলোয় ঘুরে যেমন ত্বকের যত্ন নেওয়া দরকার ঠিক তেমনই দরকার চুলের যত্নের। কেননা এইসময় চুলের যত্ন না নিলে চুলের জেল্লা নষ্ট হয়ে যায়। এমনকী চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। গরমকালে চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে গ্রিন টি হেয়ার সিরাম দারুণ কাজ করে। হেয়ার সিরাম হল একটি সিলিকন-ভিত্তিক তরল যা আপনার চুলের উপর একটি প্রতিরক্ষামূলক আস্তরণ তৈরি করে। এটি সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ও তাপ, ময়লা এবং দূষণ থেকে চুলকে রক্ষা করে। হেয়ার সিরামে অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি হেয়ার সিরাম ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন-
আরও পড়ুন Supreme Courtঃ সুপ্রিম কোর্টে মুখবন্ধ খামে মানিকতলা উপনির্বাচনের দিনক্ষণ জানাল কমিশন
ভৃঙ্গরাজ
ভৃঙ্গরাজে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ, যা স্ক্যাল্পের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এমনকী মাথার চুলকানি বা অন্য কোনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া ভৃঙ্গরাজে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদানও থাকে। এর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গুণ স্ক্যাল্পের টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে চুলের বৃদ্ধিও ঘটায়।
আমলকি
আমলকি চুলের জন্য খুবই ভালো। আমলকির হেয়ারপ্যাকও যেমন ব্যবহার করতে পারেন। আবার তেমনই আমলকির রসও চুলের জন্য ভালো। তবে আপনি যদি সরাসরি চুলে আমলকি না লাগিয়ে আপনার ডায়েটে রাখতে পারেন, তা চুলের জন্য ভালো হতে পারে। আমলকি অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ। চুলে অসময়ে পাক ধরে যাওয়া রোধ করে। চুল ভালো রাখার জন্য আপনি সকালে আমলকি এবং অ্যালোভেরা খেতে পারেন।
গ্রিন টি ও আর্গন অয়েলের হেয়ার সিরাম
চুলের যত্নে গ্রিন টি খুবই উপকারী। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট চুলের বৃদ্ধিতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এই সিরাম তৈরি করার জন্য আপনার প্রয়োজন ১/২ কাপ গ্রিন টি (ঠান্ডা করে নিতে ভুলবেন না), ২ টেবিল চামচ আর্গন অয়েল এবং ৫ ফোঁটা পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল। গ্রিন টি-এর মধ্য়ে এই দুই উপকরণ মিশিয়ে তৈরি করুন আপনার হেয়ার সিরাম। তারপর তুলোর বল সিরামে ডুবিয়ে স্ক্যাল্পে ও চুলের গোড়ায় লাগালেই মিলবে সুফল।
কারিপাতা
কারিপাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং বি। এছাড়াও কারিপাতায় উপকারী প্রোটিন এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের ভরপুর থাকে। যা স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। এই পাতায় ক্যালশিয়াম, আয়রন এবং ফসফরাসের উপস্থিতিও রয়েছে। তাই এই প্রাকৃতিক উপাদান চুলের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একইসঙ্গে পাতলা চুল ঘন করে এবং চুল পড়াও কমায়।


More Stories
পিঠে খেলে পেটে সয় : বাংলার ভাপা পিঠে ঐতিহ্য
উত্তর ২৪ পরগনায় আইএসএফ ও তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম একাধিক কর্মী
উত্তরাখণ্ডে বৃষ্টির তান্ডবে ধুয়ে গেল ভারত-চীন সেতু!