সানী রায়, সময় কলকাতা, ২৬ আগস্ট : কবি- লেখক-সাহিত্যিকদের পীড়া দেয় সময়ের অবক্ষয়, পীড়া দেয় ত্রুটি, পীড়া দেয় নীরবতা।তাঁকে পীড়া দিয়েছে সাম্প্রতিক সময়ের সেরা কবি-লেখকদের আরজিকর কাণ্ডের পরবর্তী সময়ের নীরব ভূমিকা । তিনিও সাহিত্যিক, তাঁর প্রতিবাদের বিষয় অবক্ষয়, তাঁর প্রচেষ্টা উত্তরণের পথ খোঁজা, তাঁর প্রতিবাদের ভাষা তাঁর আদৰ্শ। তাই প্রতিবাদী সাহিত্যিক পরিমল দে গান্ধীবাদকে পাথেয় করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন বঙ্গরত্ন সম্মান ফিরিয়ে দিয়ে। ২০১৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলে দেওয়া বঙ্গরত্ন ফেরাচ্ছেন আলিপুরদুয়ার নিবাসী সাহিত্যিক। কেন এই প্রতিবাদ? শুধুই কী আর জি কর হাসপাতাল কাণ্ড তাঁর প্রতিবাদের একমাত্র প্রেক্ষাপট?
সাহিত্যিক পরিমল দে মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করেন যে তিনি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক মানুষ নন। তিনি নিজেমুখে বলেন তিনি দীর্ঘদিনের কংগ্রেসী, তবুও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিরকাল সমর্থন করে এসেছেন। এবার আরজিহাসপাতাল কাণ্ডে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে সরব হয়েছেন সেই বিষয়গুলিকেও তিনি স্বাভাবিকভাবেই ভালো চোখে দেখছেন তবুও আর জি হাসপাতাল কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বেশ কিছু ভুল থেকে গিয়েছে। আর তারই প্রতিবাদে বঙ্গরত্ন সম্মান তিনি ফিরিয়ে দিচ্ছেন, জানিয়ে দিলেন সাহিত্যিক পরিমল দে।
পঞ্চাশ বছর ধরে কংগ্রেস করেছেন, গান্ধীবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, তাঁর মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর লেখা তাঁকে পুরস্কার এনে দিয়েছে। বর্তমান সময়ে তাঁর গান্ধীবাদী আদর্শ তাঁর বিবেককে নাড়া দিয়েছে, তাঁর মনে হয়েছে পুরস্কার ফিরিয়ে তিনি প্রতিবাদ করতে পারবেন। আর সেই পথেই হেঁটে পরিমল দে ফিরিয়ে দিচ্ছেন তাঁর বঙ্গরত্ন সম্মান। তবে তার প্রতিবাদের কারণ আরও বৃহত্তর।

জয় গোস্বামী, শ্রীজাত, সুবোধ সরকার সহ কবি- লেখকদের মৌনতা তাঁকে পীড়িত করেছে। তবুও তাঁর মনে হয়েছে পথে না নেমেও প্রতিবাদের পথ খোলা ছিল। আর সম্মান প্রত্যার্পণ তাই যেমন আরজিকর কাণ্ডে প্রশাসনিক ত্রুটির প্রতিবাদ, তেমন করেই হয়তো বঙ্গের কবি -লেখকের নীরবতার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ।।
# প্রতিবাদী সাহিত্যিক পরিমল দে


More Stories
লজে পরকীয়া-ব্যাভিচার, হাতেনাতে পাকড়াও সন্তানের জননী ও প্রেমিকপুরুষ
এয়ারপোর্টের কাছে সার্ভিস সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
মরণকূপ! থার্মোকলে জলপথ পারাপার ঝড়আলতার মানুষের, প্রশাসন শীতঘুমে!