Home » আরজি কর থেকে বহিষ্কৃত ৫১ জন জুনিয়র চিকিৎসক হাসপাতলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে

আরজি কর থেকে বহিষ্কৃত ৫১ জন জুনিয়র চিকিৎসক হাসপাতলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ অক্টোবর: আরজি কর হাসপাতালে ‘থ্রেড কালচার’ চালানোর অভিযোগে যে ৫১ জন জুনিয়র চিকিৎসকদের বহিস্কার করা হয়েছিল এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ তাঁরা। ওই ৫১ জনের বক্তব্য তাঁরা নিজেই থ্রেড কালচারের শিকার। কার্যত হাসপাতালের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলার আবেদন করেছে অভিযুক্ত চিকিৎসকেরা। হাইকোর্টের বিচারপতি পার্থসারথী সেনের অনুমতিতে আগামী ১৮ অক্টোবর এই মামলার শুনানির হতে পারে।

আরও পড়ুন: “এটা কি দেশ নাকি নপুংসকদের বাহিনী!” বাবা সিদ্দিকীর খুনে এবার জোড়ালো কটাক্ষ পাপ্পু যাদবের

গত আগস্ট মাসে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৩৬ ঘন্টা কর্মরত মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল। হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র ৯ আগস্ট থেকে প্রথমে আরজি কর হাসপাতালে ও ক্রমে গোটা রাজ্য জুড়ে জ্বলে ওঠে জুনিয়র চিকিৎসক সমেত সাধারণ জনগণ। আন্দোলনের ঝর ওঠে দিকে দিকে। ঘটনার দু’দিন পরেই তদন্তভার নিয়েছিল সিবিআই। তারপর থেকেই হাসপাতালে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। ‘থ্রেট কালচারে’র মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। জানা যায়, জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর অসন্তুষ্ট হলেই তাঁদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া, হাসপাতাল থেকে বদলি করে দেওয়া মত ঘটনা ঘটত। কার্যত জুনিয়র চিকিৎসকেরা আরজি কর কাণ্ডের পর যখন সরকারের কাছে সুরক্ষার দাবি জানায়, সেই তালিকায় ‘থ্রেট কালচার’ বন্ধের দাবিও ছিল। এই দাবি ওঠার পরই আর জি কর থেকে ৫১ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ড করা হয়। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘনিষ্ট সেই জুনিয়র চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল।

আরও পড়ুন: “কোনও মধ্যস্থতার প্রয়োজন নেই”, অপর্ণাদের ইমেলের উত্তর দিল জুনিয়র চিকিৎসকেরা

এবার হাসপাতালের সাসপেন্সনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে বহিষ্কৃত চিকিৎসকরা। এদিন তাঁদের অভিযোগ, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে ‘থ্রেট কালচারে’র নামে নিজেদের অপছন্দের ইন্টার্ন-পিজিটিদের হাসপাতাল থেকে সরিয়ে দিতে তৎপর আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ। হাসপাতাল থেকে সাসপেন্ডে হওয়া চিকিৎসকেরা ইতিমধ্যে তৃণমূলের মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কুণাল ঘোষের সঙ্গে সাক্ষাতও করেন। অভিযুক্তদের বক্তব্য শোনার পর বামেদের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল মুখপাএ। তাঁর দাবি, “এ সবের নেপথ্যে রয়েছে কিছু বাম সংগঠন। ওরা রাজ্যে উৎশৃঙ্খলা, অরাজকতা তৈরির চেষ্টায় রয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনও নির্দোষের শাস্তি না হয়। মিথ্যে অপবাদ দিয়ে কাউকে যেন ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো না হয়।”

About Post Author