সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ ডিসেম্বর: পুকুরের জলে ভেসে উঠেছিল যুবতীর হাত পা বাঁধা দেহ। গতকালের ঘটনার তদন্তে সন্দেশখালিতে পৌঁছল জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। মৃতার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন অর্চনা মজুমদার। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ঘটনার পুলিশি তদন্ত কতদূর? তা নিয়েও খতিয়ে দেখছেন মহিলা কমিশন।

আরও পড়ুনঃ পাখি দেখায় বাদ সাধছে কচুরিপানা : প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে মাঝিদের বিপন্নতা দূর করার উদ্যোগ
রবিবার সন্দেশখালিতে পৌঁছে অর্চনাদেবীর কার্যত তুলধনা করলেন বসিরহাট পুলিশকে। তাঁর অভিযোগ, যুবতী নিখোঁজ হওয়ার পরই পুলিশের কাছে ডায়েরি করা হয়। তা সত্ত্বেও পুলিশ তৎক্ষণাৎ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তাঁর দাবি পুলিশ তৎপরতা দেখালে প্রাণে বেঁচে যেতে পারতেন তরুণী।
আরও পড়ুনঃ বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ পাঁচ বছরের শিশুকে! চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে
প্রসঙ্গত, শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ন্যাজাট থানার কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটিহারা এলাকার একটি পুকুর থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। ঘোষপুরের বাসিন্দা ওই যুবতী ৪ ডিসেম্বর থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের দাবি, বুধবার বিকালে বাড়ি থেকে বেড়িয়েছিলেন তিনি। এরপর রাত হয়ে গেলেও আর বাড়ি ফেরেননি। স্বাভাবতই চিন্তায় পড়ে যায় পরিবার। শুরু হয় খোঁজ। এলাকা, বন্ধু-বান্ধব এমনকি আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও হদিশ মেলে না তাঁর। পরে বাধ্য হয়ে তাঁরা বসিরহাটের ন্যাজাট থানায় গিয়ে মিসিং ডায়েরি করেন। পুলিশ খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও কোনও খোঁজ মেলেনি মেয়ের। শনিবার সকালে ঘটিহারা এলাকার পুকুরে একটি দেহ ভাসতে দেখা যায়। তা নিয়ে হইচই শুরু হয়। খবর দেওয়া হয় ন্যাজাট থানায়। তড়িঘড়ি পুলিশকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। পুকুর থেকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় একজন মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে অবস্থিত নিখোঁজ তরুণীর বাড়ির লোককে খবর দিলে তাঁরা গিয়ে দেহ শনাক্ত করে।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!