Home » শেষ রক্ষা হল না আরিয়ানের! ১৫০ ফুটের কুয়ো থেকে উদ্ধার শিশুর নিথর দেহ

শেষ রক্ষা হল না আরিয়ানের! ১৫০ ফুটের কুয়ো থেকে উদ্ধার শিশুর নিথর দেহ

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১২ ডিসেম্বর: শত চেষ্টাও ব্যর্থ হল। মারণ কুয়ো থেকে উদ্ধার হল আরিয়ানের নিথর দেহ। ৫৫ ঘণ্টারও বেশি সময় কুয়োর ভিতরে বন্দি থাকায় মৃত্যু হল রাজস্থানের ৫ বছরের শিশুর। গতকাল কুয়োর পাশেই একটি গর্ত খুঁড়ে তাঁকে উদ্ধারের শেষ চেষ্টা চালিয়েছিল উদ্ধারকারীরা তবে দেহ উদ্ধার হলেও তাতে প্রাণ ছিল না। রাজস্থানের দৌসায় ১৫০ ফুট গভীর গর্তে আটকে থেকে আরিয়ানের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছে শিশুর পরিবার।

আরও পড়ুন: SYED MUSHTAQ ALI TROPHY: সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির কোয়ার্টারে হার্দিকের বরোদার কাছে হার বাংলার

ঘটনাটি ঘটেছিল রাজস্থানের দৌসায় কালিখাড় গ্রামে। গত সোমবার মায়ের সঙ্গে মাঠের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল ছোট্ট আরিয়ান। সেই সময় নলকূপ বসানোর বোরওয়েলের কাছে খেলতে গিয়ে তার মধ্যে পড়ে যায় শিশুটি। সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনার কথা অদূরেই বাড়িতে পৌঁছে দেন এক মহিলা। খবর যায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছে। সময় নষ্ট না করে জাতীয় ও রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী শিশুটিকে উদ্ধার করতে তড়িঘড়ি সেখানে উপস্থিত হয়। ভিতরে যাতে অক্সিজেনের সমস্যা না হয় তার জন্য পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন পাঠানো হচ্ছে। ভেতরে ক্যামেরা প্রবেশ করিয়ে শিশুটির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। গতকাল রাতে শিশুর শারীরিক অবস্থার খবর নিতে ও পরিবারকে মনবল জোগাতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন মন্ত্রী কিরোড়ি লাল মিনা।

আরও পড়ুন: “সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে, অন্য পদক্ষেপ নিতে হবে”, বিজেপিকে স্পষ্ট বার্তা আরএসএস মুখপাত্রের

সূত্রের খবর, এনডিআরএফের উদ্ধারকারী দল শিশুটিকে উদ্ধার করতে প্রথমে পাঁচটি পদ্ধতি গ্রহণ করেছিল। তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। মাধোপুর থেকে হাইটেক মেশিন নিয়ে আসা হয়। বোরওয়েলের মধ্যে ছাতার মতো একটি যন্ত্র ঢোকানো হয় যাতে শিশুটিকে তাতে আটকে বের করে আনা যায়। সব শেষে একটি রিং ঢোকানো হয় ভিতরে, তাতেও কাজ হয়নি। এই অবস্থায় মঙ্গলবার শেষ রাতে সেখানে আনা হয় পাইলিং মেশিন। আগে থেকেই জেসিবির সাহায্যে গর্ত খোড়ার কাজ চলছিল গর্তের পাশে। তা দ্রুত শেষ করতে মঙ্গলবার রাত ৩টে থেকে কাজে নামে নতুন আরও একটি মেশিন। বোরওয়েলের পাশে তির্যক ভাবে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ শুরু হয়। এটাই ছিল শেষ রাস্তা। জানা গিয়েছিল যে গর্তে আটকে পড়ে শিশুটি, তার পাশেই সোম ও মঙ্গলবার রাতে ১০ টি জেসিবি দিয়ে খনন কার্য চলেছে। তবে তাতে করেও শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি কারণ ৮০ থেকে ৯০ মিটারের বেশি খুড়তে পারেনি জেসিবি। এরপর দেহ উদ্ধার হলেও তাতে ছিল না আরিয়ানের প্রাণ।

About Post Author