Home » কুয়োয় বন্দি ১০ দিন! চেতনার কাছাকাছি পৌঁছালো উদ্ধারকারী দল

কুয়োয় বন্দি ১০ দিন! চেতনার কাছাকাছি পৌঁছালো উদ্ধারকারী দল

সময় কলকাতা ডেস্ক:- ‘অপারেশন চেতনা’ কি এবার সফল হতে চলেছে! জানা গেছে, দীর্ঘ ১০ দিনের আমানুষিক চেষ্টার পরে অবশেষে উদ্ধারকারী দল চেতনার কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছে! কিছুক্ষণের মধ্যেই চেতনাকে কুয়ো থেকে বের করে আনা হবে। রাজস্থানের কোটপুতলির কিরতপুরা রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে, করছে প্রার্থনা। ছোট্ট শরীরে যেন প্রাণটুকু থাকে! গত সোমবার দুপুরে চেতনা কুয়োয় পড়ে যাওয়ার পর থেকে এই উদ্ধার অভিযান চলছিল। আজ দশম দিন। প্রশাসন সহ স্থানীয় মানুষের উৎকণ্ঠা চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে চেতনার উদ্ধারের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ।

৭০০ ফুট গভীর কুয়োর অন্ধকারে আটকে থাকা ছোট্ট চেতনার নিস্তব্ধতা সবাইকে তাড়া করে ফিরেছে এই ১০ দিন ধরে। তার ক্ষুধার্ত আর তৃষ্ণার্ত শরীর, তার মায়ের আকুল কান্না আর উদ্ধারকর্মীদের অনবরত শ্রম– সবকিছু মিলে নির্মম একটা সময়ের সাক্ষী কোটপুতলি। মাটির অনেক নীচে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে ফুটফুটে এক শিশু। সবাই অসহায়। জানা গেছে, চেতনাকে বের করার পরেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। কোটপুতলির জেলা হাসপাতাল বিডিএম-এ তাকে ভর্তি করা হবে বলে ঠিক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন একাধিক প্রশাসনিক কর্মকর্তা। উদ্ধার কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন তাঁরা।

এ যেন শুধু একটা দুর্ঘটনা নয়, মানুষের ধৈর্য আর আশার এক অগ্নিপরীক্ষা। মেয়েটিকে ফিরে পাওয়ার জন্য দিনরাত সংগ্রাম করে চলা উদ্ধারকর্মীরাও জান লড়িয়ে দিয়েছেন। সে লড়াই শেষ হতে চলেছে আজ, বুধবার। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, চেতনার নিস্তব্ধ শরীর কি আবার প্রাণের স্পন্দনে ফিরবে? উত্তর জানা নেই কারও। সব মিলিয়ে, আজ ১০ দিন ধরে চলা উদ্ধারের চেষ্টায় আজ প্রথম স্পষ্ট হয়েছে আশার আলো। প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীদের নিরলস পরিশ্রম হয়তো পূর্ণতা পেতে চলেছে এবার। অন্যদিকে চেতনার পরিবার যে ধৈর্যের অগ্নিপরীক্ষা দিচ্ছে, তারও অবসান হতে চলেছে। গোটা দেশ প্রার্থনা করছে, সুখবর পাওয়ার। বছরের প্রথম দিনে কি অক্ষত ও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা যাবে চেতনাকে? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মনে।

About Post Author