সময় কলকাতা ডেস্ক:- ‘কাউন্সিলারের চাকরি গিয়েছে’। কয়েকদিন ধরেই শোরগোল রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে। ওই এলাকায় এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, ‘প্রভাবশালী, শাসক দলের কাউন্সিলর বলেই চাকরি পেয়েছি’। এলাকার অলি-গলিতে চলছে জোর চর্চা। চায়ের ঠেকে এই বিষয়ে আলোচনার তুফান তুলছেন অনেকেই। তবে সুপ্রিম কোর্টের ‘প্রমাণিত অযোগ্য’ তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে কি না, তা জানা নেই ওয়ার্ডবাসীর।
হাইস্কুলে চাকরি পাওয়ার আগে পাঁচ বছর তিনি প্রাথমিক স্কুলে চাকরি করেছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে উল্লেখ রয়েছে, অন্য কোনও সরকারি চাকরি ছেড়ে এই চাকরিতে আসা চাকরিহারারা ফের পুরোনো চাকরিতে ফিরে যেতে পারবেন। তিনমাসের মধ্যে তাঁদের আবেদন করতে হবে। সেই মর্মে প্রাথমিকের চাকরিতে ফিরতে পারবেন ওই কাউন্সিলর। যদিও সেখানেও এলাকাবাসীর মনে আশঙ্কা, প্রাইমারি স্কুলের চাকরিটাও কি অবৈধ ছিল? জনপ্রতিনিধির চাকরি যাওয়া নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়েছে এলাকায়।
এ দিকে যাঁকে নিয়ে এত চর্চা সেই জনপ্রতিনিধি কুহেলি ঘোষ দাবি করেছেন, মাধ্যমিকে স্কুলে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ছাত্রী ছিলেন তিনি। স্নাতক পাশ করেছিলেন দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজ থেকে। এর পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স এবং বিএড করেন। তাঁর দাবি, তিনি যোগ্য। আর নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই চাকরি পেয়েছিলেন। অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘কয়েকজন তো প্রমাণিত অযোগ্য। ওঁর নাম সেই তালিকায় রয়েছে কি না, তা জানি না। তবে নিশ্চিত ভাবে দুর্নীতি তো হয়েছে। না হলে তো আর এতজন যোগ্যকে ভুগতে হতো না।’
২০১৬ সালের এসএসসির গোটা নিয়োগ প্যানেল বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে রাতারাতি চাকরি গিয়েছে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর। রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার কুহেলি ঘোষ হাইস্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। ২০১৬ সালের প্যানেলে নাম ছিল তাঁর। সুপ্রিম নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন তিনি। চৌহাটি কারবালা হাইস্কুলে পড়াতেন তিনি।


More Stories
কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে বারাসাত থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার
‘দিল্লি কা লাড্ডু’ খেয়ে গাছের মগডালে : আহমেদ আনসারীর আশ্চর্য কাহিনী
১ লাখ ১০ হাজার ভোটে জিতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে নন্দীগ্রামকে খুশি করবেন হাসিরানী রথ