সময় কলকাতা ডেস্ক:- মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান। কানাডায় ফের বিচ্ছিন্নতাবাদী খালিস্তান সমর্থকদের তাণ্ডব। ভ্যাঙ্কুভারে একটি গুরুদ্বারে কালি ছেটানোর পরে এ বার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারে শহরে একটি মন্দিরে খালিস্তানের সমর্থনে গ্রাফিতি আঁকার অভিযোগ উঠল। কানাডার মাটিতে বারবার ধর্মীয় স্থান লক্ষ্য করে এমন কাণ্ড ঘটতে থাকায় উঠছে প্রশ্ন।
এর আগে কানাডায় একাধিক ধর্মস্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছিল, সবক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছিল খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দিকে। গ্রেটার টরন্টো, ব্রাম্পটন-সহ একাধিক মন্দিরে হামলা হয়েছিল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবি পোস্ট করা হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, লক্ষীনারায়ণ মন্দিরের দেওয়ালে খালিস্তানের সমর্থনে স্প্রে পেইন্ট দিয়ে লেখা স্লোগান। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন হিন্দুদের নানা গোষ্ঠীর সদস্যরা। কানাডার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের একাংশও ওই ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভুত কানাডার সাংসদ চন্দ্র আর্য এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নিশানা করেছেন খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের। তাঁর অভিযোগ, ‘কয়েকবছর আগে শুরু হয়েছিল হিন্দুদের মন্দির লক্ষ্য করে হামলা চালানো। এখনও তা বন্ধ হয়নি। খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রভাব কী হারে বেড়েছে, এটা তারই প্রমাণ।’ খালিস্তানিদের বাড়বাড়ন্তের পিছনে কিছু সংগঠন এবং রাজনীতিবিদদের কিছু অংশের সমর্থন রয়েছে বলে অভিযোগ চন্দ্রর।
সারের লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে হামলার আগে রস স্ট্রিটে একটি গুরুদ্বারেও একই ভাবে হামলা করা হয়। খালিস্তানের সমর্থনে গুরুদ্বারের দেওয়ালে স্প্রে পেইন্ট নিয়ে নানা স্লোগান লেখা হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধেও স্লোগান রয়েছে বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে ভ্যাঙ্কুভার পুলিশ। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছে শিখদের সংগঠন খালসা দিওয়ান সোসাইটি। তাদের দাবি, ‘শিখদের একটি ছোট্ট অংশ বিচ্ছিন্নতাকামী। তারা চেষ্টা করছে ভয় দেখিয়ে কানাডার শিখ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে। এই মৌলবাদের বিরুদ্ধে আমরা সব কানাডাবাসী একসঙ্গে লড়াই করব। এই ধরনের কাজ আমাদের সবার উপরে হামলা।’


More Stories
নাবালক ছাত্রের সঙ্গে যৌ*ন মিলন , গ্রেফতার হাইস্কুল শিক্ষিকা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
সীমান্তে চ্যাংড়াবান্ধায় জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের পরই শুরু মাপজোক