সময় কলকাতা ডেস্ক:- আবারও প্রকৃতির গ্রাসে উত্তরাখণ্ড। চলছি মাসে ঘটে চলা পরপর হরপা বান, মেঘ ভাঙা বৃষ্টি উত্তরাখণ্ডকে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। ফের রুদ্রপ্রয়াগের বারেৎ ধুংগার টোক এবং চমোলি জেলার দেবাল এলাকায় দুটি পৃথক মেঘভাঙার ঘটনা ঘটেছে। এধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েছেন বহু পরিবার। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
জানা যাচ্ছে, তুনরি গদেরা স্রোতে জল বেড়ে যাওয়ায় কাদা ও ধ্বংসাবশেষ তহশিলে ঢুকে পড়ে, এতে একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চেপদো বাজার ও কোটদ্বীপ বাজারেও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে পড়ে।
এদিকে, উত্তরকাশীর হরশিল উপত্যকায় গত কয়েকদিন ধরেই চলছে ত্রাণ কাজ। গদগদ গদেরা থেকে নামা ধ্বংসাবশেষের কারণে যমুনা নদীতে অস্থায়ী হ্রদ তৈরি হওয়ায় সেই এলাকায় গুরুতর সমস্যা দেখা দিয়েছে।
একই সাথে রুদ্রপ্রয়াগ জেলাজুড়ে বিপর্যয় আরও গভীর হয়েছে। অলকনন্দা ও মন্দাকিনী নদীর জলস্তর লাগাতার বাড়ছে। কেদারনাথ উপত্যকার লাওয়ারা গ্রামে প্রবল স্রোতে ভেসে গেছে সড়কের উপর নির্মিত সেতু। চেনাগাড় অঞ্চলেও পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। নদীর জল ঢুকে পড়েছে আবাসিক এলাকায়। বাধ্য হয়ে প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি থেকে মানুষজনকে সরিয়ে নিয়েছে। রুদ্রপ্রয়াগের বিখ্যাত হনুমান মন্দিরও প্লাবিত হয়েছে।
ওই রাজ্যের মুখমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামী জানান, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্য চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। তিনি নিজে সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন, কর্মকর্তাদের সাথে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছেন।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর