সময় কলকাতা ডেস্কঃ আগরপাড়া পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর অনুপম দত্তকে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুটার শম্ভু পণ্ডিতকে আগরপাড়া রোডের জঙ্গল থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ধরে ফেলে স্থানীয় বাসিন্দারা এবং তুলে দেয় খড়দহ থানা পুলিশের হাতে। পুলিশের সূত্র থেকে জানা গেছে এই শম্ভু পণ্ডিতকে অনুপম দত্ত খুনে্র জন্য ভাড়া করে নিয়ে আসা হয়েছিল। মূল অভিযুক্ত শুটার দুষ্কৃতী শম্ভু পন্ডিতের বাড়ি নদীয়ার হরিণঘাটা এলাকায়। তাকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে তার সঙ্গে থাকা আরো অন্যান্য সঙ্গীদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। রবিবার রাতে ঘটনার পরে ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে পাশের হোগলা বনে লুকিয়েছিল মূল অভিযুক্ত শম্ভু পণ্ডিত। এলাকার মানুষজন দুষ্কৃতীকে ধরার জন্য হোগলা বনে আগুন ধরিয়ে দেয়। তার ফলে আতঙ্কে হোগলা বন থেকে বেরিয়ে পালানোর সময় স্থানীয় বাসিন্দারা আগ্নেয়াস্ত্রসহ হাতেনাতে ধরে ফেলে শম্ভু পণ্ডিতকে। তারপর তাকে গণ প্রহার দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুরবোর্ড গঠন হওয়ার আগেই রক্তাক্ত হল উত্তর চব্বিশ পরগণার পানিহাটি আর পুরুলিয়ার ঝালদা। খুন হতে হল দুই সদ্যজয়ী কাউন্সিলরকে।রবিবার রাতে পানিহাটির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজয়ী কাউন্সিলর অনুপম দত্ত নিজের ওয়ার্ডে একটি পার্কের কাজের খোঁজখবর নেওয়া ছাড়া কুকুরের খাবার কিনতে এসেছিলেন। দুষ্কৃতীরা দীর্ঘক্ষণ থেকে তাকে অনুসরণ করছিল। তিনি স্কুটির পেছনে বসতেই এক দুষ্কৃতী পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে তার মাথায় গুলি করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু তাঁর। পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ জানিয়েছেন, নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক চক্রান্ত। ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পার্থ ভৌমিকের বক্তব্য বিজেপির বড় মাথাকে হারিয়ে জিতেছিলেন অনুপম।
অন্যদিকে, এদিন রাতেই পুরুলিয়া জেলার ঝালদার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর চারবারের বিজয়ী তপন কান্দু একটি দলীয় বৈঠক সেরে ফেরার পথে গুলি বিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ তপন কান্দুকে সঙ্গে সঙ্গে দূরের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে বাঁচানো যায়নি। কংগ্রেস কাউন্সিলরের মৃত্যুর ঘটনায় মঙ্গলবার ১২ ঘন্টা পুরুলিয়া বন্ধের ডাক দিয়েছে জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব। দুটি পৃথক জেলায় দুটি পৃথক দলের দুই প্রভাবশালী কাউন্সিলরের মৃত্যু স্থানীয় এলাকার পাশাপাশি বৃহত্তর রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খোঁজা হচ্ছে দুটি মৃত্যুর পিছনে থাকা প্রকৃত কারণ।


More Stories
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
বোমা-বন্দুক আনব, তৃণমূল নেতাদের গণপিটুনির হুঙ্কার দিলীপ ঘোষের
জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ কতটা সম্ভবপর?