সময় কলকাতা ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে শাসক দলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার বিরুদ্ধে মারাত্মক দুর্নীতির অভিযোগ। অভিযোগ, ঘরের তালিকায় অন্যজনের নাম থাকলেও সেই টাকা আত্মসাৎ করেছে ওই পঞ্চায়েত সদস্যা হাসিনা বিবি, তার স্বামী মোহাম্মদ জুল্ল ও ছেলে হাসিদুল এবং তার পরিবারের লোকেরা। এই স্বজন-পোষণ এবং দুর্নীতির অভিযোগের খবর তুলে ধরেছিলাম আমরা। অবশেষে সেই খবরের জেরে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। অন্যায় ভাবে অ্যাকাউন্টে ঢোকা ঘরের টাকা ফেরত দিল সদস্যার ছেলে ও আত্মীয়রা। ঘটনায় অস্বস্তিতে শাসক দল। তীব্র কটাক্ষ করে সদস্যার গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব বিরোধীরা।
মালদহের হরিশচন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। অভিযোগ গ্রামের গরীব মানুষ কাঁচা বাড়িতে বাস করলেও,তাদের নামে কোন ঘর সরকারি প্রকল্প থেকে আসছে না। আর যাদের নামে ঘর বন্টন হচ্ছে সেই তালিকায় প্রাপকের নাম এক জনের থাকলেও টাকা যাচ্ছে এই পঞ্চায়তের এক সদস্যার পরিবার ও আত্মিয়দের নামে। অভিযোগ, এই পঞ্চায়েতের সদস্যা হাসিনা বিবি ও তাঁর ছেলে হাসেদুল আলী এবং তাঁর স্বামী মহাম্মদ জুল্লুর বিরুদ্ধে।

বিরোধীদের প্রশ্ন এই কাজে কারা কারা জড়িত? কি ভাবে পঞ্চায়েত সদস্যার পরিবারের লোকেদের নামে অন্যের ঘরের টাকা ঢুকলো?বিরোধীরা মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আবাস যোজনায় দুর্নীতি নিয়ে সরব হন। অভিযোগ জানান বিডিওর কাছে ।এই খবরই কিছুদিন আগে প্রকাশ হয়েছিল সময় কলকাতায়। আর সেই খবর প্রকাশ হতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন।সরকারি কর্তাদের নির্দেশে ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত সদস্যা হাসিনা বিবির ছেলে সহ ৬ জন অভিযুক্ত সদস্যার আত্মীয় ঘরের টাকা প্রশাসনের তহবিলে ফেরত দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত হাসিনা বিবি এবং তাঁর স্বামী মোঃ জুল্লু তাঁদের টাকা ফেরত দেন নি বলে অভিযোগ বিরোধীদের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হল
না? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা।পঞ্চায়েত সদস্যার এই কুকর্মে যথেষ্ট অস্বস্তিতে শাসক দল।


More Stories
সাত-বউ, পাঁচটি রাজপ্রাসাদ শ্রীরামপুরের কাউন্সিলর টাইগারের!
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন