Home » কেন্দ্রীয় সরকারের গাফিলতিতে টালিনালা সংস্কারে দেরি, দাবি ফিরহাদের

কেন্দ্রীয় সরকারের গাফিলতিতে টালিনালা সংস্কারে দেরি, দাবি ফিরহাদের

সময় কলকাতা ডেস্ক : কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার যদি গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান বা নমামি গঙ্গে প্রজেক্টের সঙ্গে টালিনালা বা আদিগঙ্গা সংস্কারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে দিত তাহলে অনেক আগেই  সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হত। বৃহস্পতিবার টালিনালা সংস্কারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে দেরিতে কাজ শুরু হওয়ার জন্য পরোক্ষে কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। মেয়রের দাবি, বারবার কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে আবেদন করেও রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে ওরা এটা করেনি। শহর কলকাতা জুড়ে ড্রেনেজ সিস্টেমের বকেয়া সংস্কারের কাজ এডিবির টাকায় করা হবে বলেও জানালেন ফিরহাদ হাকিম।

মেয়রের দাবি, শুধুমাত্র ড্রেজিং করলেই টালিনালা বাঁচানো সম্ভব হবে না।শহরের নিকাশি ব্যবস্থার অন্যতম লাইফ লাইনকে বাঁচাতে জনসচেতনতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। টালিনালা বাঁচাও আন্দোলন গড়ে ওঠা উচিত। আদিগঙ্গা নিয়ে মানুষের সেন্টিমেন্ট রয়েছে, তাই আবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আদিগঙ্গা মানুষকে ফেরত দিতে চান তিনি।ফিরহাদ বলেন, ‘একসময় কেওড়াতলা মহাশ্মশানে কাউকে দাহ করতে এলে মানুষজন এখানেই স্নান করত। প্রায় চল্লিশ বছর আগের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ব্যবহারযোগ্য ভাবে আদিগঙ্গা সংস্কার এর কাজ শুরু হয়েছে।’

পুরমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসবে আবার চলেও যাবে। কিন্তু তাঁর সময়কালে তাঁর বিভিন্ন কাজ কর্ম,সিদ্ধান্ত ও ভুলত্রুটি দেশের ওপর বর্তাবে। যা দেশের পক্ষে ভয়ঙ্কর ক্শতির কারণ হতে পারে।পুরমন্ত্রী বলেন, কথায় কথায় সিবিআই, ইডি সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় এজেন্সিতে দেশের যেকোন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ পোস্টে দেশের সবথেকে যোগ্য অফিসাররা পদাধিকারীর পদে বসেন। অথচ বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার বারবার নিজেদের স্বার্থে এই সমস্ত সংস্থাকে ব্যবহার করতে করতে তার গরিমা নষ্ট করে দিচ্ছে।এইসব সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিকভাবে কখনো কাজে লাগানো উচিত নয়। বিগত কংগ্রেস সরকারের সময়েও এই সংস্থাগুলি নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারত। তাই রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধেও সিবিআই তদন্ত করতে পেরেছিল। এখন বিজেপির ছোট খাটো নেতা এমনকি শুভেন্দু অধিকারীও সিবিআই  পাঠানোর কথা বলে ভয় দেখাচ্ছে। এটা দেশের পক্ষে কখনই সঠিক পদক্ষেপ নয়।”

 

About Post Author