Home » বনমন্ত্রীর বিধানসভার পঞ্চায়েতে অনাস্থা এনে দলের প্রধানকে সরাল তৃণমূল

বনমন্ত্রীর বিধানসভার পঞ্চায়েতে অনাস্থা এনে দলের প্রধানকে সরাল তৃণমূল

সময় কলকাতা ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার কুমড়া পঞ্চায়েত।তৃণমুল কংগ্রেসের দখলে থাকা এই পঞ্চায়েতটি হল একটি বিরোধী শূন্য পঞ্চায়েত।এখানে ২৯ জন সদস্যই শাসক দলের।রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিধানসভার অন্তর্গত এই পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন রত্না বিশ্বাস।বেশ কিছু দিন আগে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে ছিলেন পঞ্চায়েতের বেশ কিছু সদস্য ও সদস্যা।রাজ্য জুড়ে শাসক দলের গোষ্ঠী দ্বন্দে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।সেই সময় হাবরা ১ নং ব্লকের এই পঞ্চায়েতে অনাস্থায় বুধবার পদ হারালেন  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান।আর প্রধানের বিরুদ্ধে ভোট দিলেন তৃণমুল কংগ্রেসের সদস্য ও সদস্যারা।ফলে ফের একবার প্রকাশ্যে শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দ্বল।

বুধবার হাবরা ১ নং এর বিডিও প্রতিনিধির উপস্থিতিতে অনাস্থার ভোটাভুটি হয় পঞ্চায়েতে।প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থার ভোটাভুটির জন্য যথেষ্ট পুলিশি ব্যবস্থা ছিল ।২৯ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতের ২৪ জন সদস্য ও সদস্যা এই দিন ভোট দেয় প্রধান রত্না বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।প্রধানকে রত্না বিশ্বাসকে তাঁর পদ থেকে সরানো কারণ হিসাবে পঞ্চায়েত সদস্যা কানন বালা সরকার রায় জানান, প্রধান দলের কথা শুনতেন না।সদস্য ও সদস্যাদের সঙ্গে বরাবর দূর্ব্যবহার করে আসছিলেন।সেই কথা তাঁরা হাবরার বিধায়ক ও বন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জানিয়ে ছিলেন।মন্ত্রীর পরামর্শ মত তাঁরা এই অনাস্থায় এসে প্রধান রত্না বিশ্বাস কে সরিয়ে দিলেন।ওই সদস্যা দাবি করেন, এবার হাববার কুমড়ো পঞ্চায়েতের উন্নয়নে গতি আসবে।তিনি বলেন দলের ঠিক করে দেওয়া নতুন প্রধানের হাত ধরে উন্নয়নের কাজ হবে এই পঞ্চায়েতে।

তৃণমুল কংগ্রেসের এক প্রধান কেন তৃণমুল কংগ্রেসের সদস্য ও সদস্যারা আচমকা সরিয়ে দিল এই প্রশ্নের উত্তরে হাবরা ব্লক এস টি এসসি সেলের সভাপতি বাপি মজুমদার বলেন, বিধান সভা নির্বাচনে দলবিরোধী কাজ করে ছিল কুমড়োর প্রধান রত্না বিশ্বাস। নির্বাচনে কুমড়ো প্রধান রত্না বিশ্বাস  বিজেপিকে সাহায্য করে ছিল ।তা নিয়ে দল তাঁকে সাবধানও করেছিল।কিন্তু রত্না বিশ্বাস সুযোগ পেয়েও নিজেকে পরিবর্তন করতে পারেনি ।তাই আজ অনাস্থায় তাঁরা তাদের দলের প্রধানকেই সরিয়ে দিলেন।

About Post Author