Home » বগটুইতে প্রমান লোপাটের চেষ্টা করছে পুলিশ, অভিযোগ সেলিমের

বগটুইতে প্রমান লোপাটের চেষ্টা করছে পুলিশ, অভিযোগ সেলিমের

অমলেন্দু মণ্ডল, রামপুরহাট সময় কলকাতা: বগটুইতে নারকীয় হত্যাকাণ্ড নিয়ে আগেই সরব হয়েছিল বামেরা।তাই বুধবার সাত সকালেই রামপুরহাটে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমও সিপিএম নেতা রামচন্দ্র ডোম। কিন্তু বগটুই গ্রামে পৌঁনোর আগেই পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে দীর্ঘ বচসা হয় বাম নেতার।পুলিশের সঙ্গে দীর্ঘ তর্ক বিতর্কের পরে সাংসদ রাম চন্দ্র ডোম এবং তিনি বগটুই গ্রামে পৌঁছন। পাশাপাশি বুধবার বগটুইয়ের ঘটনার প্রতিবাদে রামপুরহাট শহরে প্রতিবাদ নিছিল করে বামেরা। প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন সিপিএম নেতা বিমান বসু ও মহম্মদ সেলিম।  গ্রামে পৌঁছানোর পর তাঁর দাবি, পুলিশের নিস্ক্রিয়তার কারণেই এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

এদিন সকালে গ্রামে ঢুকতে গেলে সিপিএমের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পুলিশের দীর্ঘ বচসা হয়। শেষে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম দাবি করেন, বগটুই গ্রামে মৃতদের মধ্যে একজন তাঁর আত্মীয় রয়েছেন। তাই সেখানে যাওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে। সেলিম বলেন, ‘মাস দুয়েক আগে ওদের বিয়ে হয়েছিল। আমার জামাইটা কোন ঘরে মারা গিয়েছে দেখতে এসেছি। সেই অধিকার আমার আছে। পাশাপাশি ‘ঘটনাস্থল থেকে হত্যালীলার প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন মহম্মদ সেলিম।

প্রসঙ্গত,রামপুরহাট গণহত্যার ঘটনায় মঙ্গলবারই মৃতদের দেহ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর গ্রামে নিয়ে আসা হয়।পুলিশ ও জেলা শাসকের উপস্থিতিতে মৃতদেহগুলি সমাধিস্ত করা হয়। ওই ঘটনায় রামপুরহাটের এসডিপিওকে অপসারিত করার পাশাপাশি আইসিকে ক্লোজ করা হয়েছে। এদিন গ্রামের মানুষদের সঙ্গে কথা বলার পর সেলিমের দাবি, মৃত্যুর আগে বিপদ আশঙ্কা করে এসডিপিওকে ফোন করে পুলিশ পাঠাতে বলেছিলেন বাড়িতে। কিন্তু এসডিপিও পুলিশকে যেতে দেয়নি।

নারকীয় হত্যাকাণ্ডের এই ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে। পুলিশ কি তাদের চিহ্নিত করতে পারবে কি? অভিযুক্তরা কি শাস্তি পাবে? নাকি আর পাঁচটা রাজনৈতিক খুনের ঘটনার মতো কয়েকদিন চাপানউতোরের পর ধামাচাপা পড়ে যাবে রামপুরহাটের ঘটনা প্রশ্ন বগটুইয়ের বাসিন্দাদের।

About Post Author