সময় কলকাতা ডেস্ক: প্রকৃত কৃষকদের বঞ্চিত করে ফড়েদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে হিমঘরে আলু মজুত করার বণ্ড। ফলে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে চাষিদের। তাই প্রকৃত চাষিদের আলুর বণ্ড দেওয়ার দাবিতে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ বাসিন্দাদের। অবরোধ তুলতে গেলে ব্যাপক উত্তজনা ছড়ায় জলপাইগুড়ি মোহিত নগরে।পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পডে়ন অবরোধকারী চাষিরা। চাষিদের লাঠিপেটা করে তুলে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে।

দিনের পর দিন আবেদনের পরেও বণ্ড না পাওয়ায় এদিন মোহিতনগর হিমঘরের সামনে জাতীয় সড়ক বোল্ডার দিয়ে আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন আলু চাষিরা। রাস্তায় গাড়ির চাকার সামনে শুয়ে গাড়ি আটকে দেয় আন্দোলনকারীরা।বিক্ষোভের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে যায় জাতীয় সড়ক। খবর পেয়ে পুলিশ এলে পুলিশকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় চাষিরা। চাষিদের অবরোধের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে যায় জাতীয় সড়ক। রাস্তার দুপাশে আটকে পড়ে কয়েক হাজার গাড়ি। সমস্যায় পড়তে হয় পথচলতি মানুষকে। আন্দোলনে সামিল হওয়া চাষিদের অভিযোগ, হাজার হাজার টাকা ধার নিয়ে চাষ করেছি। কিন্তু হিমঘর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ফড়েদের অবৈধ আঁতাত থাকায় চাষির বণ্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হলে আন্দোলনকারীরা তাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।পুলিশ বুঝিয়ে অবরোধ তোলার চেষ্টা করলেও চাষিরা বণ্ড না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার দাবিতে অনড় থাকেন। এরপরেই লাঠিচার্জ করে অবরোধকারীদের হটিয়ে দেয়। তবে হিমঘরে আলু রাখতে না পারলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চাষিরা। তবে শেষ পর্যন্ত চাষিরা বণ্ড পান কিনা সেটাই দেখার


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!