সময় কলকাতা বীরভূম: রামপুরহাটে গণহত্যার ঘটনার পেছনে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় মাথারা রয়েছে। সিবিআইয়েত তদন্তে সেইসব মাখাদের নাম প্রকাশ্যে আসবে।রবিবার রামপুরহাটে বিজেপির লাগাতার ধরনা মঞ্চ থেকে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। তিনি বলেন, গতকালই যাকে ধরা হয়েছে সে বলেছে আমি অনুব্রত মণ্ডলকে ফোন করেছিলাম। উনি বলেছেন, দুটো বাড়ি পুড়ছে পুড়তে দে। এটা থেকেই পরিষ্কার ঘটনার পেছনে তৃণমূলের বড় বড় মাথারা আছে। আর সিবিআই যখন ঢুকেছে এক এক করে সবার নাম বেরোবে।

এদিন বিজেপির ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী রাজ্য যুব মোর্চার নেতৃত্ব সৌমিত্র খাঁ অবস্থান মঞ্চে হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি যেতে না পারায় রামপুরহাট এসডিপিও দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ কর্মসুচিতে অংশ নেন বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। তার আগে বগটুই গ্রামে গিয়ে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। বিজেপি নেত্রী বলেন, কোর্টে যা অর্ডার এসেছে সেটা কেস ডায়েরি দেখেই বিচারকরা নির্দেশ দিয়েছেন।কেস ডায়েরি দেখেই আদালত বুঝেছে সিটের দ্বারা কিছু হবে না। কারণ তারা কাউকে তখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
বিজেপি সিবিআইয়ের তদন্তকে প্রভাবিত করছে বলে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের অভিযোগ প্রসঙ্গে বিজেপি নেত্রী বলেন, আমরা কি বলছি আর কি বলছি না সেদিকে না তাকিয়ে অনুব্রত মণ্ডল দিদিকে বলেছে সূচপুরের মতো মামলাটা সাজাবো তার মানেটা কি? আগে তার জবাব দিন কুণাল ঘোষকে পালটা প্রশ্ন প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের।পাশাপাশি তাঁর প্রশ্ন টাকা দিয়ে কি হবে যে মানুষগুলোর মৃত্যু হয়েছে তাদের মুখ্যমন্ত্রী ফিরিয়ে দিতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনের পর অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। তাতেই মৃত্যু হয় আরও ৮ জনের। নারকায় এই হত্যা কাণ্ডের ঘটনায় তারপর থেকেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যেই আদালতের পর্যবেক্ষনে সিবিআই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।


More Stories
হুইলচেয়ারের জীবন ও সাধন রায়
সাষ্টাঙ্গে নত হয়ে ক্ষমাস্বীকার, মুখ্যমন্ত্রীর নামে কুরুচিকর পোস্ট করার জন্য শাস্তিবিধান!
রূপের মধ্যে অরূপের ছোঁয়া : গাজলডোবা এক ব্রাত্য মুগ্ধতা