সময় কলকাতা ডেস্ক: নিজস্ব বাড়ি নেই। জোগাড় করা যায়নি ভাড়াবাড়িও। জঙ্গলঘেরা মাঠের এক কোণে ঝোপঝাড়ের মধ্যেই চলছে শিশুদের জন্য রান্না। এক যুগ পার হতে চললেও হয়নি কোন স্কুল, কোনো রান্নাঘর। অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিশুদের খাবার তৈরি হচ্ছে খোলামেলা জায়গায়, গাছ তলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর দুনম্বর ব্লকের বকুলতলা ৩৫৪ নম্বর আইসিডিএস সেন্টারের এমনই বেহাল দশা। প্রথমে ক্লাব ঘরে পড়াশুনো চললেও পরবর্তীকালে ক্লাব ঘরটি ভেঙে পড়ায় একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দোতলায় পড়ানো হত শিশুদের। লকডাউনের পর বন্ধ হয়ে গেছে সেটুকুও অভিযোগ অভিভাবকদের।

এখন শুধুমাত্র ছাএ-ছাত্রীদের ও প্রসূতি মায়েদের কখনো খিচুড়ি, কখনো ভাত, ডাল, ডিম দেওয়া হয়। কিন্তু এই অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের খাবার তৈরি হয় জল, বৃষ্টি, প্রখর রোদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খোলামেলা জায়গায়। পুকুরের নোংরা জল ব্যবহার করা হয় রান্নার জন্য। যেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে হাঁস, এমনকি পুকুরের চারিদিকে আলের উপর পড়ে থাকে বিভিন্ন আবর্জনা। এভাবেই কেটে গিয়েছে প্রায় ১০ বছর। অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের সহায়িকার অভিযোগ, বারবার উর্ধতন কতৃপক্ষকে বারবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই গাছতলাতেই আমাদের রান্নার কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

অভিভাবকদের একটাই প্রশ্ন, যে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানো হয় না কেবলমাত্র খাওয়ার দেওয়া হয় সেই স্কুল থেকে লাভ কি। অবিলম্বে স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হোক, নয়তো নতুন কোন স্কুল তৈরি করা হোক।বর্ষাকালে অর্ধেক দিন রান্না করতে পারে না, তাই দেওয়া হয়না খাবার। স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পড়ার জায়গা ও একটা রান্নাঘরের দাবি,অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিক্ষিকা সোনালি মণ্ডলেরকবে রান্নাঘর ও পড়াশুনোর জন্য ঘর পাবে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তার অপেক্ষায় এলাকার বাসিন্দারা।


More Stories
“কংগ্রেসের হাত-ছাড়া ভুল ছিল”, বিস্ফোরক অনুব্রত দুষছেন আইপ্যাককে
সিআইডি অবিলম্বে অভিষেককে গ্রেফতার করতে চায়, অন্তরায় হাইকোর্টের নির্দেশ
পাক অধিকৃত কাশ্মীরে গুলি, নিহত ৩০