সময় কলকাতা ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যাচাই করতে কলকাতার বিভিন্ন বাজারে হানা রাজ্য এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের কর্তাদের।দুএকদিন ছাড়াই বেড়ে চলেছে পেট্রোপণ্যের দাম।ফলে তার প্রভাব পড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর। কিন্তু এই সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত লাভের জন্য ইচ্ছেমতো দাম হাঁকছে। তাই বাজারে জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।তারপরেই এদিন শহরের একাধিক বাজারে হানা দেয়।বাজারের মাছ, মাংসের দর তারা সরকারি দরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা। কাঁচা সবজির দোকানেও হানা দেন তারা।সেই দর আদৌও কি সরকারি দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নেওয়া হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখেন এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের কর্তারা।

এদিন কলকাতার লেক রোড মার্কেটে মুরগির মাংসের দোকানে মাংসের দর ২১০ টাকা প্রতি কেজি হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে।এনফোর্সমেন্ট কর্তাদের দাবি সরকারি দর ১৮৫ টাকা।কেন মুরগির মাংস ২১০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন করেন। পরে বেশি দাম লাগানো বোর্ড খুলতে বাধ্য করেন এক ব্যবসায়ীকে। এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা পরিস্কার ভাষায় বিভিন্ন বাজারের বিক্রেতাদের জানিয়ে দেন,সরকারের থেকে ধার্য করা মূল্যের থেকে চড়া দামে কোন দ্রব্য বিক্রি করা হয় তবে সংশ্লিষ্ট দোকানদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার সকালে লেক রোড মার্কেটে বাজার করতে আসেন অভিনেতা অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বাজার দরে সরকারের নজরদারি অত্যন্ত জরুরি।তাঁর মতে এইভাবে মূল্য বৃদ্ধি আটকানো না গেলেও অন্যায় ভাবে বেশি দাম নেওয়া ব্যবসাদারেদের আটকতে পারলে দাম কিছুটা কমবে।

এই বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারের ধর্ম মেনেই জিনিসের দাম ঠিক হয় ।ফলে খুচরো বাজারে যার যেমন ইচ্ছা দাম হাঁকা সম্ভব নয়।ব্যবসায়ীদের দাবি, তাঁরা সঠিক দামেই জিনিস বিক্রি করছেন।এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকদের অভিযানের পর বাজারে জিনিসপত্রের দাম আদৌ কমবে তো প্রশ্ন তুলছেন শহর কলকাতার বাসিন্দারা।


More Stories
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
বিজেপিকে একমাত্র রুখতে পারেন দিদি : অখিলেশ যাদব
এবার কলকাতায় পাঁচজায়গায় একযোগে সিবিআই হানা