Home » বারাসাতের পুরপারিষদদের প্রধান লক্ষ্য দলীয় সংহতি বজায় রেখে উন্নয়ন

বারাসাতের পুরপারিষদদের প্রধান লক্ষ্য দলীয় সংহতি বজায় রেখে উন্নয়ন

সময় কলকাতা ডেস্ক : অবশেষে বারাসাত পুরবোর্ড গঠিত হওয়ার পরে শপথ নিলেন পাঁচজন পুরপারিষদ । চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনের একমাস পরে পাঁচজন চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল (সি আই সি )শপথ নিলেন বুধবার। পুর পারিষদ হিসেবে দায়িত্ব যে পাঁচজন শপথ নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে নতুন মুখ দুই। নবগঠিত পুরবোর্ডের লক্ষ্য এক ও অভিন্ন। উন্নয়নের একাধিক বিষয়কে সামনে রাখলেও নিজেদের মধ্যে সংহতি রক্ষাই প্রধান কাজ হয়ে উঠতে চলেছে তা পুরপারিষদ বর্গের প্রাথমিক বক্তব্যে সুস্পষ্ট।

বারাসাত পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যানজটমুক্ত শহর, রাস্তা জুড়ে জবর দখল করে থাকা হকার উচ্ছেদ, ও জঞ্জালমুক্ত শহর নাগরিকদের উপহার দেওয়া প্রধান শর্ত।পাশাপাশি, ভাইস চেয়ারম্যান তাপস দাসগুপ্ত জানিয়েছেন, নবনির্বাচিত পুরপারিষদদের সঙ্গে নিয়ে বিগত পুরবোর্ডের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে তুলির টান দেবে নতুন বোর্ড।আর এজন্য চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও পাঁচ পুরপারিষদ একজোট হয়ে কাজ করবে, উল্লেখ করেছেন তাপস দাশগুপ্ত।

পি ডবলু ডি (রোডস) বিভাগের দায়িত্ব পাওয়া দাপুটে নেতা অরুন ভৌমিক এদিন তাপস দাশগুপ্তের কথা খণ্ডন না করলেও বলেছেন, পি ডাবলু ডি র দায়িত্ব পুরপারিষদ হিসেবে আগেও তিনি সামলেছেন। ইঙ্গিত, তিনি দিব্যি সামলে নেবেন তাঁর বিভাগ ও কাজ।বিদ্যুতের দায়িত্ব নিতে সেঅর্থে আগ্রহী ছিলেন না পুরপারিষদ চম্পক দাস। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন, পুরসভায় স্বাস্থ্য বিভাগের মত যে  দায়িত্ব দল থেকে তাঁকে দেওয়া হয়েছে তা এর আগেও সামলেছেন। এবারের দপ্তর বন্টনের পর নিজের প্রাপ্ত দপ্তরের কাজ তিনি যথাযথ ভাবে করতে আত্মবিশ্বাসী। জলের দায়িত্ব পরিষদীয় নেতা পান্নালাল বসুর ওপরে বর্তেছে।১০০ শতাংশ শহরবাসীকে বিশুদ্ধ পানীয় জল উপহার দিতে বদ্ধ পরিকর পান্নালাল বসু। বড় জোর দুবছর, তারমধ্যেই সবার কাছে পৌঁছে যাবে বিশুদ্ধ পানীয় জল, প্রতিশ্রুতি তাঁর।

বারাসাতের নবগঠিত পুরবোর্ড যে নতুন দুই পুরপারিষদকে পাচ্ছে তাঁদের অন্যতম অভিজিত নাগ চৌধুরী স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্ব পেয়ে জানালেন, তিনি নতুন পারিষদ হলেও কাজের বিষয়ে পুরবোর্ডের অন্যদের পরামর্শ নিয়েই শহরবাসী পরিচ্ছন্ন স্বাস্থ্য পরিষেবা দেবে পুরবোর্ড, বার্তা তাঁর।শিক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়া সৌমেন আচার্য্য পুরবোর্ডের বড় চমক। পুরপারিষদ হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে তিনি বলছেন, বারাসাতে শিক্ষা ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই ঢেলে সাজানো আছে। কোনও খামতি নেই কোথাও।

তবুও সুর কাটছে কোথাও যখন চম্পক দাস বলছেন,  পুরবোর্ডের দায়িত্ব ও দপ্তর বন্টন নিয়ে বিতর্ক ছিল।দলীয় সংহতি রক্ষাই যে আশু লক্ষ্য তৃণমূল শাসিত পুরবোর্ডের তা পরিষ্কার বিভিন্ন পুরপারিষদের কথায়। একতা বা ভাঙ্গন- টিমস্পিরিটের ও সংহতির এক্স ফ্যাক্টরগুলিকে সযত্নে লালন পালন করাই এখন পরিচ্ছন্ন নাগরিক পরিষেবা দেওয়ার গোড়ার কথা হয়ে উঠেছে বারাসাত পুরসভার নবগঠিত পুরবোর্ডের কাছে।।

About Post Author