সময় কলকাতা ডেস্কঃ যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেড়েছে প্রযুক্তির ব্যবহার । উৎসব অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছার বার্তা পাঠানো হচ্ছে স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে। শুক্রবার বাংলার নববর্ষ।কিন্তু এই স্মার্ট ফোনের যুগেও হালখাতা ছাড়া বাঙালির নববর্ষকে কোনো ভাবেই ভাবা যায় না।
হাল অথাৎ নতুন । বছর শেষে পুরনো খাতাকে বিদায় দিয়ে ব্যবসায়ীরা নতুন খাতায় নতুন বছরের হিসাব শুরু করতেন। কিন্তু হালখাতা কথাটি প্রথম থেকে প্রচলন ছিল না এ বঙ্গে । বাংলার নবাব মুর্শিদকুলি খাঁয়ের আমল থেকে হালখাতার উৎসবের শুরু । নতুন বছরে খেরোর খাতায় বা নির্দিষ্ট করে রাখা লাল খাতায় হিসাব লেখার প্রচলন ছিল। তারপরই সেই খাতার নাম “হালখাতায়” রূপান্তরিত হয় নবাবী আমল থেকে।
নববর্ষের দিনে নির্দিষ্ট সময়ে হালখাতা লেখার প্রচলন আছে এ বঙ্গে। তাই পঞ্জিকা মতন এবছরে হালখাতা লেখার নির্দিষ্ট সময় গুলি হল
১) সকাল ৭ টা ৪০ মিনিট থেকে সকাল ৮ টা ২৯ মিনিট।
২) বেলা ১২ টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ২ টো ৩৪ মিনিট।
৩) বিকেল ৪ টে ১৮ মিনিট থেকে বিকেল ৫ টা ৫৪ মিনিট।
৪) রাত ১০ টা ২৭ মিনিট থেকে রাত ১১ টা ১১ মিনিট।
প্রতিটি নতুন বছরের শুরুতেই হালখাতা লেখা হয়ে থাকে অমৃতযোগ অনুসারে।আর সেইসময় অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শুভকাজ সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার নববর্ষে উপরি উক্ত সময়গুলিতে হালখাতা লেখা যাবে।এই অমৃতযোগ সময় গুলি হল বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা অনুযায়ী।


More Stories
কেক কেটে ঈদ উদযাপন
আরেকটি পদত্যাগ, এবার শান্তনু সেন
হর্ষ-বিষাদে পালিত ঈদ-উল-আযহা