Home » মগরাহাট জোড়া খুনে পুনর্নির্মাণ পুলিশের

মগরাহাট জোড়া খুনে পুনর্নির্মাণ পুলিশের

সময় কলকাতা ডেস্কঃ মগরাহাট জোড়া খুন কাণ্ডের নয়া মোড়! অবশেষে ডায়মন্ডহারবার জেলাপুলিশের এসপি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডায়মন্ডহারবার মহকুমা পুলিশ আধিকারিক মিথুন কুমার দে সহ মগরাহাট থানার পুলিশ আধিকারিকরা বুধবার দুপুর তিনটে ত্রিশ মিনিট নাগাদ মূল অভিযুক্ত জানেম আলম মোল্লাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসেন ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য। প্রায় ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার পুনর্নির্মাণের কাজকর্ম চলে।

এদিন এস পি ও এস ডি পি-র সামনে মূল অভিযুক্ত জানে আলম মোল্লা খুনের কথা স্বীকার করে নেয়। পুলিশ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে সে পূর্বপরিকল্পনা মাফিক সিভিক ভলান্টিয়ার ও তাঁর বন্ধুকে খুন করেছিল। এমনকি খুন করার পর তাদের দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে লোপাট করারও চেষ্টা করে তারা। যদিও এখনো পর্যন্ত কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়নি বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, সিভিক ভলান্টিয়ার বরুণ চক্রবর্তী এবং তাঁর বন্ধু মলয় মাখাল বেশ কিছুদিন আগে ইমারতি সামগ্রী কেনার জন্য টাকা দিয়েছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী জানেম আলম মোল্লাকে। কিন্তু সেই সামগ্রী মেলেনি। তারপর থেকেই টাকা ফেরত চাইছিলেন ওই দুই যুবক। গত শনিবার অভিযুক্ত ওই ব্যবসায়ী টাকা ফেরত দেবেন বলে তাদেরকে ডেকে পাঠান। অভিযোগ, এরপর বরুণ ও মলয় আসতেই স্থানীয় এক দোকানে ঢুকিয়ে তাদের খুন করা হয়। প্রথমে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মেরে দু’জনকে খুন করে দুষ্কৃতীরা।

ঘটনার কথা জানাজানি হতেই দুষ্কৃতী তাণ্ডবের প্রতিবাদ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব হয় জনতা। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তারা। একটি দোকানে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়।পুড়িয়ে দেওয়া হয় গাড়িও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব়্যাফ নামানো হয়। এই ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল অভিযুক্ত জানেম আলম মোল্লা। পুলিশ তদন্ত চালাতেই চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর মোবাইল লোকেশন ট্রাক করে দক্ষিণ কলকাতার একটি জায়গা থেকে পুলিশ তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।

About Post Author