সময় কলকাতা ডেস্কঃ যুদ্ধের ৫০ দিন অতিক্রম করে গেলেও ইউক্রেন দখল নিতে ব্যর্থ রুশ সেনা। কিন্তু জারি রয়েছে ধ্বংসাত্মক হামলা। ফলে সংঘাত যে দীর্ঘমেয়াদী হতে চলেছে তা স্পষ্ট। এহেন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, যুদ্ধে তাদের আড়াই থেকে তিন হাজার সেনার মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার এক সাক্ষাত্কারে জেলেনস্কি জানান, তাঁর সেনা প্রবল বিক্রমে যুদ্ধ করছে তবে পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেনে পরিস্থিতি জটিল। মারিওপোলেও ভয়াবহ লড়াই চলছে। এখনও পর্যন্ত যুদ্ধে আড়াই থেকে তিন হাজার ইউক্রেনীয় সেনার মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা হাজার দশেক। যুদ্ধে অসংখ্য সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও সেই সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। এদিনের সাক্ষাত্কারে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, প্রায় ৫০ দিন ধরে চলা যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ১৯ থেকে ২০ হাজার রুশ সেনার মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রাতে দেশবাসীর উদ্দেশে এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের সেনাবাহিনীর সাফল্য ঐতিহাসিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখনও আমাদের দেশ থেকে হানাদার বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া যায়নি।’
এদিকে রুশ যুদ্ধ জাহাজ ‘মস্কোভা’ তে মিসাইল হামলার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। এপ্রিল মাসের শুরুতে কিয়েভের আশেপাশের এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে রাশিয়া। রুশ যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংসের পাল্টা হিসাবে কিয়েভে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও তাত্ক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কিয়েভ, দক্ষিণের খেরসান, পূর্বাঞ্চলীয় খারখিভ এবং পশ্চিমের ইভানো-ফ্রাঙ্কিভস্ক শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সেই সঙ্গে শহর জুড়ে বেজে ওঠে যুদ্ধের সাইরেন। ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে হামলার কারণে কিয়েভের কিছু অংশ বিদুত্হীন হয়ে পড়েছে।

গত ১৩ এপ্রিল কৃষ্ণ সাগরে রুশ যুদ্ধ জাহাজে মিসাইল হামলা চালায় ইউক্রেন সেনা। ইউক্রেনের ওডেসার গভর্নর দাবি করেন ১৩ এপ্রিল রুশ যুদ্ধ জাহাজের ওপর ইউক্রেনীয় বাহিনী মিসাইল হামলা চালায়। আর তাতে সম্পূর্ণ রুপে জাহাজটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বুধবার সংবাদ সংস্থা রয়টার এই খবর জানিয়েছে।


More Stories
সীমান্ত সমস্যা সমাধানে শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষিত দ্রুত পদক্ষেপে কোন বার্তা?
ভিনগ্রহী তত্ত্ব প্রমাণে ১৬২টি নতুন ফাইল প্রকাশিত
হরমুজ প্রণালী, রান্নার গ্যাস ও তেল এবং ভারত -ইরানের সম্পর্ক