Home » দুই টোটোচালকের সঙ্গে পালালেন একই বাড়ির দুই গৃহবধূ

দুই টোটোচালকের সঙ্গে পালালেন একই বাড়ির দুই গৃহবধূ

সময় কলকাতা ডেস্ক : একই পরিবারের দুই ভাইয়ের দুই বৌ পরকীয়ায় মেতে প্রেমের টানে মশগুল হয়ে দুই টোটোচালকের সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে পালালেন।

আশ্চর্য মিল দুই ঘটনার। স্থানকাল পাল্টেছে। ১৫ ই ডিসেম্বর ২০২১। বালির দুই গৃহবধূ দুই রাজমিস্ত্রির সঙ্গে স্বামী ঘর পরিবার ছেড়ে পালিয়েছিলেন । সেবার দুই গৃহবধূর একজনের সঙ্গে ছিল এক শিশু। ২০২২ সালের মে মাসের ২১ তারিখে উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদার ঘটনা যেন সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।প্রেমের জোয়ারে ভেসে দুই টোটো চালকের হাত ধরে এবার বাড়ি থেকে সরে পড়লেন একই পরিবারের দুই গৃহবধূ। বাগদার আন্দুলপোতা গ্রামের পাল বাড়ির মেজ ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মিঠু ও পবিত্রা বাড়ি ছেড়ে চম্পট দিয়েছেন এলাকার দুই টোটো চালক বিশ্বজিৎ মন্ডল ও শিবু মজুমদারের সঙ্গে। ছোট ভাইয়ের শিশু সন্তানকে তাঁরা সঙ্গে নিয়েই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন।

বিষয়টি বৃহস্পতিবার সামনে এলেও কয়েকদিন আগেই দুই গৃহবধূ ঘর ছেড়েছেন। বৃদ্ধ শ্বশুর অসহায় হয়ে চোখের জল ফেলছেন, তাঁর আপাতত অবলম্বন ছোট ছেলের কিশোর পুত্র যে তার মাকে ফোন করেছিল মা বাড়ি ছাড়ার পরের দিন সকালেই। ফোন ছিল সুইচড অফ।

পালবাড়ির দুই  গৃহবধূ মিঠু পাল ও পবিত্রা পালের পালানোর পেছনে প্রেমকেই একমাত্র কারণ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।দুই পলাতকার স্ত্রী ভিনরাজ্যে নির্মাণ সংস্থায় কাজ করেন। বৃদ্ধ শ্বশুর শিবুপদ পাল বাড়ির বৌদের ফিরিয়ে আকুল আর্জি জানিয়েছেন। বাগদা থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন।

উল্টোদিকে পলাতক দুই টোটোচালকও অবিবাহিত নন। তাঁদের স্ত্রীরাও স্বাভাবিকভাবেই প্রচন্ড ক্ষুব্ধ।তবুও স্বামীরা ফিরে আসুক এমনটাই তাঁরা চাইছেন।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান,বেশ কিছুদিন ধরেই পবিত্রা ও মিঠুর দুই টোটো চালকের সঙ্গে প্রেমপর্ব চলছিল। দুই গৃহবধূর বয়স ত্রিশের কোঠায়। টোটো চালকদের অবস্থা বেশ স্বচ্ছল।একজনের চালের ব্যবসাও রয়েছে। উল্লেখ্য,পাল পরিবারের বাড়ির বড় ছেলে অন্যত্র থাকেন। পলাতকাদের স্বামীরা মহারাষ্ট্রের পুনেতে নির্মাণ সংস্থায় কাজ করেন। বৃদ্ধ শ্বশুর বৌমা ও নাতিদের নিয়ে থাকতেন। তিনি বৌমাদের প্রেমের পথে অন্তরায় হয়ে উঠতে পারেন নি।

এলাকাবাসীর মতে, দুই টোটো চালক বিশ্বজিৎ ও শিবুর নিয়মিত যাওয়া- আসা লেগেই ছিল পালবাড়িতে। এমতাবস্থায় প্রেম আরও প্রগাঢ় হতেই বাড়ির দুই বৌ ছক কষেন কেটে পড়ার। জেঠিমা ও মায়ের পালানোর পরিকল্পনার কথা জানা ছিল ছোট বৌয়ের নয় বছরের সন্তানের । গত শুক্রবার সে তার খেলার মাঠের বন্ধুদের জানিয়েছিল তার স্কুলে পড়া বা খেলা কোনোটাই আর এখন হবে না। সে বন্ধুদের কাছে জানতে চেয়েছিল, সে যদি পরে ফিরে আসে তাকে তার বন্ধুরা খেলায় নেবে তো?  তিনটি পরিবার ঘরছাড়াদের ফিরিয়ে নিতে এখন উন্মুখ। মা ও মায়ের প্রেমিকের সঙ্গে অজানায় পাড়ি দেওয়া নয় বছরের শিশুর মতই কারও জানা নেই পথভোলা চার নারী পুরুষ বাগদায় কবে ফিরবে।।

About Post Author