Home » শ্বশুরবাড়ির মান বাঁচাল কোন মাছ?

শ্বশুরবাড়ির মান বাঁচাল কোন মাছ?

সময় কলকাতা ডেস্ক : জামাইষষ্ঠীর বাজারে  মাছের যোগান যতই কম থাকুক আর মাছের দাম যতই চড়া হোক , জামাই বরণে কার্পণ্য করলে তো চলবে না!এবার কলকাতা লাগোয়া উত্তর চব্বিশ পরগনা ও নদীয়ার বাজারে প্রয়োজনের তুলনায় বড় চিংড়ির যোগান কম।দাম বেড়েছে মাছের।স্টোরের ইলিশ আর ছোটো চিংড়ি দিয়েই মান রক্ষা শ্বশুরবাড়ির।

এবার রবিবার ছিল জামাইষষ্ঠী। ষষ্ঠী পূজার কারণে অনেক বাড়িতেই নিরামিষ আহারের ব্যবস্থা ছিল রবিবার ।সেক্ষেত্রে সোমবার জামাইকে মাছ মাংস খাওয়ানোর তোড়জোড়। আর কিছু বাড়িতে এদিনই ভুরিভোজ। বাজারের সেরা মাছ খুঁজতে দিনভর বাজার অভিযান শ্বশুর বাড়ির। বাজারে জামাই আদরে কোনও ঘাটতি রাখতে চাইছেন না শ্বশুর শাশুড়িরা।  সকাল থেকেই উত্তর চব্বিশ পরগনার বারাসাত বড়বাজার, ছোটবাজার, হেলাবটতলা, মধ্যমগ্রামের বিভিন্ন বাজার, বনগাঁর বাটার মোড়ের বাজার,নদীয়ার নবদ্বীপ রানাঘাট কৃষ্ণনগর শান্তিপুর চাকদা কল্যাণীর বিভিন্ন মাছ বাজারে উপচে পড়া ভিড়। রকমারি মাছের সম্ভার। তবে ছ্যাঁকা লাগছে কিনতে গেলে। দাম বেশ চড়া বাজারে। কিন্তু জামাইষষ্ঠী বলে কথা। মোটা অংকের টাকা খসছে, আড়তের বিক্রেতারা স্বভাবসিদ্ধভাবে বলছেন বাজার ভালো না , স্টোরের ইলিশ দিয়েই জামাই কে বরণ করতে হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে মান রক্ষা করছে ছোট চিংড়ি।পকেটের ওজন বুঝে ৬০০-১৫০০ টাকা কিলো দামে অধিকাংশ বাড়িতে ছোট বা মাঝারি ইলিশ -চিংড়ি কিনে জামাই আদর হবে আজ আর কাল।

এবারের জামাইষষ্ঠীর বাজারে কলকাতা লাগোয়া জেলা এবং শহরতলীতে যুগ্ম মেন অফ দ্যা ম্যাচ ছোট চিংড়ি আর স্টোরের ইলিশ। দাম একটু বেশি পড়লে কি হবে,শ্বশুরবাড়ির ইজ্জত বাঁচাতে এই দুই মাছের এবার ছিল দারুণ ভূমিকা।।

About Post Author