সময় কলকাতা ডেস্কঃব্যাপক বৃষ্টি পাতের ফলে ভাসছে ত্রিপুরা। গতকাল ১৭ জুন থেকে এক নাগাড়ে বৃষ্টি পাতের ফলে ত্রিপুরা রাজ্যের বেশির ভাগ জেলায় জলের তলায়।সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার বেশ কিছু এলাকা।এছাড়াও জলে ভাসছে সেন্ট্রাল চৌমহনি, শকুন্তলা রোড, প্যারাডাইস, এম আর এস চৌমুহুনি, গণরাজ চৌমুহুনি, আই জি এম চৌমুহুনির বিভিন্ন ও এলাকা।এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে যে রাস্তা দিয়ে রীতিমত নৌকো নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। যদিও এই অবস্থায় আগরতলা পুরনিগমের পক্ষ থেকে সব রকমের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শহরের ১৬ টি নিস্কাষনি পাম্প বসানো হয়েছে।এছাড়াও চালু রাখা হয়েছে মোবাইল পাম্পগুলিও।
কেন্দ্রের মৌসম ভবনের তথ্য অনুযায়ী ১৭ তারিখ সকাল ১১ টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমান ছিল ১৪৫ মিলি মিটার, যা ৬২ বছরের মধ্যে রেকর্ড বৃষ্টিপাত। আবহাওয়া দপ্তর থেকে আরও জানানো হয়েছে, আজ অর্থাৎ ১৮ জুন থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমান আরও বাড়তে পারে। আগরতলা পুরনিগমের পক্ষ থেকে নামানো হয়েছে বেশ কিছু নৌকো। যেসব জায়গায় মানুষ আটকে পড়েছে তাদের পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে খাদ্য সামগ্রি।
এই দুর্যোগের সময় নাগরিক পরিষেবা পৌঁছে দিতে পশ্চিম ত্রিপুরার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কোথাও কোন মানুষ আটকে পড়লে অথবা কোথাও কোন জরুরি ভিত্তিতে রোগী হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজন পড়লে ১০৭৭ এই টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে যোগাযোগ করতে পারেন বলে জানিয়েছে পুর নিগম কর্তৃপক্ষ, এবং আগরতলা পুরনিগমের এই হোয়াটস অ্যাপ নম্বরেও যোগাযোগ করতে পারেন। নম্বরটি হল ৯৮৬৩২০১৬৬৫। ফোন করলে তারা সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসবে। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে ১৯১২ এই নম্বরে যোগাযোগ করার আবেদন রাখা হয়েছে। পাশাপাশি এই হোয়াটস অ্যাপ নম্বরেও ম্যাসেজ করতে পারেন। টোল ফ্রি নম্বরটি হল ৯৮৬৩৫৯৬০৮১।
আগরতলা পুরনিগমের পক্ষ থেকে নাগরিকদের অনুরোধ করা হয়েছে এই দুদিন প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে কেউ যেন খুব প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হন।সর্বপরি তারা যেন দূর্যোগ মোকাবিলা কর্মরত কর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতা করেন।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর