সময় কলকাতা ডেস্কঃ চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এমনকি সেই অভিযোগ নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরালও রয়েছে সেই পোস্ট। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর ঘটনা। অস্বস্তিতে শাসকদলের নেতৃত্ব। সম্প্রতি টেট দুর্নীতি মামলা ঘিরে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার চন্দন মণ্ডলের নাম বহুচর্চিত। বাগদার চন্দন মন্ডলের দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্ত হচ্ছে। এরই মাঝেই এবার স্যোশাল মিডিয়াতে একটি পোস্ট বেশ ভাইরাল হয়েছে। তাতে জ্বলজ্বল করছে, ‘বাগদার চন্দনকে নিয়ে তো সিবিআই তদন্ত হচ্ছে। বনগাঁর ছয়ঘড়িয়াতেও একজন চন্দন আছে, যে বনগাঁ হাইস্কুলের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক এবং ছয়ঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী। এই বনগাঁর চন্দনকে নিয়েও সিবিআই তদন্তের দাবি তোলা হয়। পোস্টটি নজরে আসতেই বনগাঁয় শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। অভিযোগ তৃণমূল নেতা সুকান্ত মাহাতো ওরফে গোপাল মাহাতোর বিরুদ্ধে।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা গোপাল মাহাতো।তিনি বলেন, যদিও, আমি মানুষের উপকারই করি। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বও।বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক দেবদাস মণ্ডল বলেন,সুকান্ত ( গোপাল ) মাহাতো চাকরি দেওয়ার নাম করে ও ট্রানস্ফার করিয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা তুলেছে । আমরা মহামান্য হাইকোর্ট ও সিবিআই এর কাছে আবেদন করব একে গ্রেফতার করে তদন্ত করলে তৃণমূলের অনেক রাঘব বোয়ালের নাম জানা যাবে।
পাশাপাশি যদিও, অভিযোগটি স্বীকার করে নিয়েছেন শাসকদলের নেতৃত্ব। কিন্তু, দল এই কাজকে বরদাস্ত করবে না। জানিয়েছেন বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য।
ইতিমধ্যেই, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়িয়েছে শাসকদলের নেতৃত্বের। সিবিআই তলবের মুখে পড়েছেন নেতা-মন্ত্রীরাও। এবার দলীয় নেতার বিরুদ্ধে এই পোস্টকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে শাসকদল।


More Stories
ডিমথেরাপি অশোকনগরের গ্রেফতার চেয়ারম্যান প্রবোধ সরকারকে
সাত-বউ, পাঁচটি রাজপ্রাসাদ শ্রীরামপুরের কাউন্সিলর টাইগারের!
তৃণমূলের শ্বাসকষ্টের আরেক শিকার অভিষেক ঘনিষ্ঠ শুভ্রকান্তির পদত্যাগ