সময় কলকাতা ডেস্কঃ লক্ষ্মীর ভান্ডারের ফুল। এই নামেই স্টল খুলে ব্যবসা চালু করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন উত্তর চব্বিশ পরগনার খড়দার বাসিন্দা দীপালি সাঁতরা। খুলেছেন ফুলের দোকান । অথচ নিজের নামে দোকান না খুলে মুখ্যমন্ত্রীর সাধের প্রকল্পের নামে দোকানের নামকরণ করেছেন। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের প্রতিমাসের ৫০০ টাকা জমিয়ে যে সুচারু ভাবে ক্ষুদ্র ব্যবসা করা যায় তা তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন।

করোনা কালে স্বামী দিলীপ সাঁতরা কর্মহীন হয়ে যাওয়ায় দুর্যোগ নেমে আসে সংসারে । লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্মপূরণ করে টাকা পেতে থাকেন তিনি। সেই টাকা জমাতে শুরু করে কয়েকমাস পরেই খড়দার পাতুলিয়া পাড়ায় খুলে বসেন ফুলের স্টল। সাধারণ ভাবনা চিন্তা থেকে একটু সরে এসে স্টলের নাম রাখেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফুল। ব্যবসা এখন রমরমা। ফুলের ব্যবসার পাশাপাশি টুকিটাকি জিনিসও বিক্রি করেন দোকান থেকে, সংসারও এখন চলছে সুষ্ঠভাবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ছোঁয়ায় দীপালি সাঁতরা আর সংসারের অন্যরা যেন হয়ে উঠেছেন লক্ষ্মীমন্ত। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের তথাকথিত সামান্য টাকা যে অনেক সংসারেই অবলম্বন হিসেবে অসামান্য হয়ে উঠেছে খড়দার ফুলের দোকান তার প্রমাণ। লক্ষ্মীর ভান্ডার ফুল ফোটাচ্ছে অনেক পরিবারে।


More Stories
লজে পরকীয়া-ব্যাভিচার, হাতেনাতে পাকড়াও সন্তানের জননী ও প্রেমিকপুরুষ
ইন্দাসের ঘটনায় ককরোচের প্রশাসনকে ডেডলাইন
কংগ্রেস নেতা ও তার ছেলেকে নৃশংসভাবে খু*ন নাকাশিপাড়ায়