সময় কলকাতা ডেস্কঃ প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে বিপর্যস্ত পূর্ব সিকিম। ভয়াবহ ধসের কবলে গ্যাংটক। একটি বাড়ি ধসে পড়ে ঘুমন্ত অবস্থাতেই মৃত্যু হয়েছে মা সহ দুই শিশুর। গ্যাংটকের রঙ্গে দোকান দারা দেচিলিঙ এর ঘটনা।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে,সোমবার মধ্যরাত ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ ওই এলাকায় ধস নামে। তার জেরেই স্থানীয় বাসিন্দা বিমল মঙ্গারের বাড়ি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ঘুমের মধ্যেই বিমল মঙ্গারের স্ত্রী ডোমা শেরপা এবং তাঁর আট বছর এবং সাত মাস বয়সী দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ গৃহকর্তা। এসডিআরএফ-এর দল উদ্ধারকার্যে নেমে বাড়িটির ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চালানো হচ্ছে। জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে বলেই জানান গ্যাংটকের এসডিএম রবিন শেরপা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছোন পুলিশ সহ জেলা প্রশাসন এবং দমকল বাহিনী।
গত কয়েকদিন ধরেই খারাপ আবহাওয়ার জেরে সিকিমের একাধিক জায়গায় ধস নামে। লাগাতার ঝড়বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সিকিমের বাসিন্দাদের জনজীবন। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে একাধিক বাড়ি। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সিকিমের যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। এমনকী ওই অঞ্চলে থাকা পর্যটকরাও ধসের জেরে আটকে পড়েছিলেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় রংপো এলাকার ধসের একটি ভিডিয়ো রাতারাতি ব্যাপক ভাইরাল হয়। যদিও আবহাওয়া দফতর জানিয়েছেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় সিকিম জুড়ে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে। ইতিমধ্যেই হাই অ্যালার্টও জারি করা হয়েছে। ধসের জেরে চলতি মাসেই সিকিমে মৃত্যু হয়েছে সাতজনের।
কেবলমাত্র সিকিমই নয়, অতিবর্ষণের জেরে ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পঙেও। অন্যদিকে অতিবর্ষণের জেরে বেহাল পরিস্থিতি উত্তরবঙ্গের। গত কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে কার্যত নাজেহাল উত্তরবঙ্গ। বিপদ সঙ্কেতের ওপর দিয়ে বইছে তিস্তা। পিছিয়ে নেই জলঢাকাও। বিভিন্ন জায়গায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। তিস্তা সহ ডুয়ার্সের বিভিন্ন নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নষ্ট হয়েছে চাষের জমি। নাজেহাল অবস্থা সাধারণ মানুষের।


More Stories
বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোয় গ্রেফতারের নির্দেশ শুভেন্দুর
বাঙালিদের ভন্ড বলার অভিযোগে বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
অভিষেকের অফিসে ভাঙচুর