সময় কলকাতা ডেস্কঃ ‘ভোট বাক্স জলে ফেলে দেওয়ার’ নিদান থেকে কর্মীদের উৎসাহিত করতে মহারাষ্ট্রের-কথা তুলে ধরলেন শুভেন্দু অধিকারী। বললেন, “মহারাষ্ট্রে হয়ে গেছে, এবার ঝাড়খণ্ড হয়ে বাংলায় ঢুকে পড়বে, সাফ হয়ে যাবে! কোনো চিন্তা নেই।” সামনের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ‘মাথা উঁচু করে’ লড়াইয়ের বার্তাও দিলেন। বললেন, “আমাকে সবসময় পাবেন। মাথা ফাটলেও পাবেন, জেলে ঢোকালেও পাবেন। হাসপাতালেও যাব। জেল থেকেও ছাড়িয়ে আনব।”
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বলেন, “আমরা প্যারা মিলিটারি ফোর্সের জন্য আদালতে যাব। অনলাইন নমিনেশনের জন্য-ও যাব। তারপরেও যদি বেগতিক দেখেন, ভোট বাক্স জলে ফেলে দেবেন।” এভাবেই, এদিন হুল দিবসের অনুষ্ঠানে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে কর্মীদের উৎসাহিত করেন রাজ্যের বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আদিবাসী সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু-কে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করা নিয়েও, এদিনের সভা থেকে নরেন্দ্র মোদীর জয়ধ্বনি দেন শুভেন্দু। আর, এর বিরোধিতা করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে করেন কটাক্ষ। ‘অলচিকি লিপি’ নিয়েও একদিকে তিনি যেমন অটল বিহারী বাজপেয়ীর কৃতিত্ব তুলে ধরেন, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনাও করেন।
এদিকে, এদিন শুভেন্দু আসার আগেই কেশিয়াড়িতে পৃথক একটি সভায় দেখা যায় মেদিনীপুরের সাংসদ তথা বিজেপি’র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। যদিও, ব্যানারে দুজনের একসাথে ছবি ছিল। তবে, সাক্ষাৎ হয়নি দুজনের। বিকেলে পৃথক সভামঞ্চে দেখা যায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ দলের জেলা নেতৃত্বকে। এদিনের সভায় ফের একবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে তুলোধুনো করেন শুভেন্দু। বলেন, “পিসি বেরোলে ৭০০০ পুলিশ আর ভাইপো বেরোলে ৪০০০ পুলিশ। সমস্ত কাটমানির টাকা পৌঁছয় ভাইপোর কাছে।” দাঁতনের কোনো এক কালীপদ পতি’র নাম নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “বাক্স বাক্স টাকা তুলত কালীপদ পতি। আর, তা পৌঁছত ভাইপোর কাছে।” সে এখন ‘ঘরছাড়া’ বলেও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। সর্বোপরি, এদিন কর্মীদের তিনি মাথা উঁচু করে পঞ্চায়েত নির্বাচনের লড়াইয়ের বার্তা দেন।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?