সময় কলকাতা ডেস্কঃ রথযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে যায় দূর্গাপুজোর উৎসব। গত ২ বছর করোনা ওলটপালট করে দিয়েছিল যে সব হিসেব-নিকেশ, তাকেই আবার নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার পালা। বাংলার ঘরে ঘরে আবার আলো করে আসুক মা। আর আলোর বেণু বেজে ওঠার প্রহর গোনা শুরু। ক্যালেন্ডারের পাতা বলছে আর বেশি দিন বাকি নেই দূর্গাপুজোর। তাই জায়গায় জায়গায় চলছে দূর্গোৎসবের খুঁটিপুজো। এদিকে শনিবারও উল্টোরথের দিনে একদিকে যেমন জগন্নাথ বলরাম, সুভ্রদার আরধনা চলছে, ঠিক তার পাশাপাশি চলছে খুঁটিপুজোর আনন্দ।
দক্ষিণ কলকাতার মধ্যে অন্যতম পুজো হল ত্রিধারার পুজো। উল্টোরথের দিন ত্রিধারায় খুঁটি পুজো সম্পন্ন হল। এছর এই পুজো ৭৬ তম বর্ষে পদার্পণ করবে। খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সাংসদ মালা রায়, ত্রিধারা পুজো কমিটির কর্ণধার ও কলকাতা পুরনিগমের পুরপিতা দেবাশীষ কুমার, অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জী সহ অনান্যরা।

ধর্ম যার যার উৎসব সবার। সমস্ত ধর্ম সম্প্রদায় নির্বিশেষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে একসাথে চলার ধর্মই মানব ধর্ম। মন্ত্রী জাভেদ খানের উদ্যোগে সাউথ ট্যাংরা শীতলা যুবক সংঘের খুঁটিপুজোর মাধ্যমে সেই বার্তাই দিলেন মন্ত্রী জাভেদ খান। জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার রথের চাকা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। এদিন মাসির বাড়ি থেকে নিজের বাড়ি ফিরবেন জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা। উল্টো রথের এই পবিত্র দিনে তাই বালুরঘাটের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব অভিযাত্রীর খুঁটি পুজোর মাধ্যমে এবছরের তাদের পুজোর প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন। এদিন পূর্ণ মর্যাদার সঙ্গে ক্লাবের খুঁটি পুজো সম্পন্ন করে ভারত সেবাশ্রম। খুঁটি পুজো উপলক্ষে ক্লাব সদস্যদের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। উৎসবকে ফিরে পাওয়ার আনন্দে মাতোয়ারা আপামর বাঙালি।


More Stories
মেজবাবুকে চড় মেরে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি : রেখা পাত্র
ডার্বির উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে , বড় ম্যাচে বড় পরীক্ষা পুলিশের
খাদ্য সুরক্ষা বিধি লঙ্ঘন – বারাসাতে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে হানা ফুড সেফটি বিভাগের