Home » মালদার মালতীপুরে মহানন্দা নদীবক্ষে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার আশঙ্কা

মালদার মালতীপুরে মহানন্দা নদীবক্ষে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার আশঙ্কা

সময় কলকাতা ডেস্কঃ আতঙ্ককে সঙ্গী করে ওঁদের দিন কাটে আর তাই প্রশাসনের নির্দেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মহানন্দা নদীঘাটে লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই চলে নদী পারাপার। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, প্রত্যেকেই অঘটনের আতঙ্ক মাথায় নিয়ে নৌকা করে নদী পারাপার হচ্ছেন। ঠিক এমন ছবিই ধরা পড়েছে মালদহের চাঁচল ২ নং ব্লকের চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জ্যোৎমনি মহানন্দা ঘাটে। ইতিমধ্যেই বিষয়ইটি নিয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মালদা জেলা পরিষদের সভাপতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঁচল বিধানসভা এলাকার মালতীপুরের জ্যোৎমনি গ্রামের ধারেই রয়েছে মহানন্দা নদী। আর সেই নদী পেরোলেই রয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলা। কর্মসূত্রে দুই জেলার মানুষকেই প্রতিদিন নদী পারাপার করে কানাইপুর ঘাটে আসতে হয়। কিন্তু গত কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে কার্যত নাজেহাল পরিস্থিতি উত্তরবঙ্গের। রাতভর বৃষ্টিপাতের জেরে জল বেড়েছে মহানন্দা নদীতে। কার্যত সে কারণেই সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা নৌকা। সেই নৌকাতে যাত্রীদের সুরক্ষার ছিটেফোঁটা বন্দোবস্ত নেই বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের। এমনকী কোন লাইফ জ্যাকেটও নেই বলে অভিযোগ তাদের। এহেন পরিস্থিতিতে ছোট্ট নৌকোতে মানুষ সহ মোটর বাইকের চাপে তিলমাত্র স্থান থাকে না। আর এমনকরেই মানুষজন প্রতিদিন যাতায়াত করেন। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রোজ নদী পার হতে হয় ক্ষুদে পড়ুয়াদেরও । তাদের দাবি, ওই নদীর ওপর দিয়ে একটি সেতু নির্মাণ করলে স্বস্তিতে পারাপার করা যাবে। কিন্তু প্রশাসন তাদের কথায় কর্ণপাত করবে কিনা তা কেউ জানেন না।। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবার ভোটের সময় প্রতিশ্রতি পাওয়া যায় সেতু নির্মাণের। কিন্তু ভোট ফুরোলেই আবার সেই একই অবস্থা।
ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মালদা জেলা পরিষদের সভাপতি রফিকুল হোসেন। তিনি জানান,‘যাত্রীদের জন্য দ্রুত যাতে সুরক্ষা জ্যাকেটের ব্যাবস্থা করা হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হবে।’ সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। এবার কী তাহলে নদী পারাপারের যন্ত্রণা ঘুচবে জ্যোৎমনি গ্রামের মানুষগুলির। সেই আশাতেই দিন গুনছে তারা। আতঙ্কের অবসান কবে হবে তা সময়ই বলবে।।

About Post Author