সময় কলকাতা ডেস্ক: নদী পারাপারে ঝুঁকি। নিত্যদিন সমস্যার সম্মুখীন জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার এই দুই জেলার মাঝের খনাভর্তি নদী এলাকার মানুষেরা। দাবি, একটু স্থায়ী সেতুর।

এ যেন ভারত এবং শ্রীলঙ্কা। তবে, পুরানের রামচন্দ্রের মতো সেতুবন্ধনীর কাজ কে করবে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কথা হচ্ছে ডুয়ার্সে একেবারে ভুটানের কাছেই অবস্থিত, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার এই দুই জেলার মাঝের এক ব-দ্বীপ আকার এলাকার। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার এই দুই জেলার মানুষের মাঝে বহুকাল ধরে প্রাচীরের ন্যায় বিরাজ করছে খনাভর্তি নদী। এই খনাভর্তি নদী বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে। কখনও নদী গর্ভে জলের পরিমান এতটাই বেড়ে যায়, যে জলভাসি অবস্থা। আবার কখনও পুরো জল শুকিয়ে মাইলের পর মাইল শুধুই বালি নজরে আসে। প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনার জেরে নাজেহাল দুই জেলার মানুষই। অভিযোগ, নিত্যদিনই যাতায়াতে ঝক্কি পোহাতে হয় তাদের। তাই দাবি, স্থায়ী সেতু নির্মাণ হোক।
নদীর এক পারে জলপাইগুড়ির বানারহাট ব্লকের কারবালা টি এস্টেট। মূলত চা বলয়ের মানুষের বসবাস। নদীর ওপর প্রান্তে আলিপুরদুয়ারের বান্দাপানি চা বাগানের মানুষের বসবাস। দুই জেলার মানুষেরই নিত্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্যে দুই পারের হাসপাতাল,স্কুল,কলেজের ওপর নির্ভরশীল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থার জেরে নিত্যদিনই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তবে, উদাসীন প্রশাসন। অভিযোগ, বাগান লাগোয়া এই দুই জেলার অসহায় মানুষের যন্ত্রনা শোনার কেউ নেই। বারবার আবেদন জানিয়েও অমিল সুরাহা। সমস্যাটির দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সেচ দফতরের আধিকারিক।দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশায় দিন গুনছেন তাঁরা।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!