Home » বাংলা-বিহার সীমান্তে অস্ত্র সহ গ্রেফতার ২

বাংলা-বিহার সীমান্তে অস্ত্র সহ গ্রেফতার ২

সময় কলকাতা ডেস্ক : স্বাধীনতা দিবসের আগেই বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাংলা-বিহার সীমান্ত থেকে দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফলে স্বাধীনতা দিবসের আগে আরও নজরদারি বাড়ানো হল বাংলা-বিহার সীমান্তে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একইসঙ্গে এলাকায় দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সোমবার গভীর রাতে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরে সাদলিচক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায়। আর তাতেই বড়সড় সাফল্য পায় পুলিশ। এদিন ওয়ান সাটার পিস্তল এবং এক রাউন্ড গুলি সহ দুজন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত ওই দুই দুষ্কৃতীর নাম মহম্মদ আরিফ এবং আব্দুল মালেক। ধৃত ওই দুই দুষ্কৃতী এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। জানা গিয়েছে, ধৃতদের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর থানার খোপাকাঠি এলাকায়। ইতিমধ্যেই ধৃত ওই দুই যুবককে চাঁচল মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। ধৃতদের সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। অন্যদিকে পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। যদিও ঘটনার তীব্র কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধীরা।

এ প্রসঙ্গে মালদহ জেলা বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক সম্পাদক রুপেশ আগরওয়াল বলেন,‘সামনে পঞ্চায়েত ভোট আসছে। তাই এখন থেকে অস্ত্র মজুত করছে তৃণমূল। যাতে ভোটের সময় সন্ত্রাস চালাতে পারে। এদের দুর্নীতি এখন বাংলার মানুষ দেখছে। সমস্ত রকম দুর্নীতিতে এরা জড়িয়ে গেছে। তাই এবার সাধারণ মানুষই এদের জবাব দেবে।’
অন্যদিকে হরিশ্চন্দ্রপুরের চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা সঞ্জীব গুপ্তা বলেন, ‘এখানে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সুশাসন আছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর মত না। তাই আইন আইনের পথেই চলে। এখানেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিজেপির পায়ের তলায় কোন মাটি নেই। খারাপ কথা বলাই এদের কাজ।’

উল্লেখ্য,রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশ প্রশাসনকে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারের নির্দেশ দেন। তারপর বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক উদ্ধার হয় বেআইনি অস্ত্র ও বোমা। গ্রেপ্তারও হয়েছে একাধিক দুষ্কৃতী। আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের কাজে দিনরাত্রি জোরকদমে নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।

About Post Author